যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সমপ্ন করা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি নিয়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) যাত্রা শুরু করলো ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনটি। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের নিয়ে গড়ে ওঠা শীর্ষ এই সংগঠনটিতে যোগ দিয়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একশ’রও বেশি শিক্ষার্থী।
সংগঠনের আহ্বায়ক মিজানুল ইসলাম জানান, তারা বিশ্বাস করেন, দেশে এখনো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে বিপক্ষের শক্তির যুদ্ধ চলছেই। আর যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য সংগঠিত হওয়ার বিকল্প নেই। রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের বিচার তরান্বিত করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি আমরা।
তরুণ এই শিক্ষার্থীরা প্রায় একই সুরে বলেন, দেশে রাজকারদের গাড়িতে লাল-সবুজের পতাকা ওড়ে। পায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা। আর যারা দেশের জন্য বরণ করেছেন পঙ্গুত্ব। তারা ভিক্ষা করছেন পথের ধারে বসে। এই সব অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্য বদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি দুর্নীতি, ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়া। এজন্য আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব অবস্থান থেকে দেশের জন্য কাজ করে যাওয়া ও দেশ বিরোধী অপশক্তির প্রতি সোচ্চার থাকাই সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্যে বলে জানিয়েছে তরুণ সদস্যরা।
এ বছর প্রথমবারের মতো এই সংগঠনের পক্ষ থেকে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়। ঐ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ তালুকদার । তিনি সংগঠনটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমাদের ছাত্রসমাজ যখন ভাষা চেয়েছে, আমরা ভাষা পেয়েছি। তারা যখন স্বাধীন দেশ চেয়েছে, আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। আজ আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা সকলে মিলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে সক্ষম হবই।
