২০০০ সালের ৮ জুলাই পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পথচলা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ও নান্দনিক ক্যাম্পাস হিসেবে দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচিতি লাভ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অবস্থার কথা বলেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শামসুদ্দীন। সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন— ইমাদুল হক প্রিন্স ও হাসান
বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে আপনার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানাবেন কি?
বিশ্ববিদ্যালয়টিকে উন্নত বিশ্বের আধুনিক মানসম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকব। এ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সম্ভব সব ধরনের পদক্ষেপই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রহণ করবো। শিক্ষা ও গবেষণায় এ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে তাদের সমান্তরালে চলতে পারে সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবো।
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কখনো? পূর্বের ছাত্র রাজনীতি এবং বর্তমান ছাত্র রাজনীতির মধ্যে তফাত্টা কি?
দেশের শিক্ষাঙ্গনে ষাট-সত্তরের দশকে ছাত্র রাজনীতির যে চাহিদা ছিল এবং তেপ্রক্ষিতে ছাত্রগণ যে আদর্শের রাজনীতির মধ্য দিয়ে তাদেরকে সত্,যোগ্য নাগরিক এবং জাতিকে নেতৃত্বদানকারী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল। বর্তমান ছাত্ররাজনীতির চাহিদা ষাট-সত্তরের দশকের ছাত্র রাজনীতির চাহিদার তুলনায় কিছুটা গুরুত্বহীন। বিভিন্ন প্রতিকূলতা ছাত্র রাজনীতিকে কিছুটা বিপথগামী করেছে।
আপনার শিক্ষা জীবনে প্রাপ্ত পুরস্কার সম্পর্কে বলুন।
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য মর্যাদাপূর্ণ ফেলোশিপ/এওয়ার্ড যথা: ভারতীয় বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি এওয়ার্ড (১৯৭৩-১৯৭৫), ইউ. এস. এস. আর. ফেলোশিপ (১৯৮৩), কমনওয়েলথ স্কলারশিপ ও ফেলোশিপ এওয়ার্ড (অস্ট্রেলিয়া, ১৯৮৪-১৯৮৯) এবং জার্মান একাডেমি এক্সচেঞ্জ সার্ভিস ফেলোশিপ (১৯৯৬) লাভ করেন।
আপনার ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা কি?
ক্যাম্পাসের মেইন গেট অত্যাধুনিক কারুকাজে তৈরি করা এবং ভিসির বাসভবন, টি, এস, সি, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের এমপ্লয়ি ক্লাব, খেলার মাঠ, ২০ একর জমি ক্রয় করা, নতুন অডিটোরিয়াম, আইটি সেন্টার, ডেইরি এবং পোল্ট্রি ক্লিনিক, নতুন আরো কয়েকটি বাস ক্রয় করাসহ আরো অনেক পদক্ষেপ নেয়ার পরিকল্পনা আছে।
আপনার রিসার্চ প্রজেক্ট সম্পর্কে বলুন।
আমি খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ বিষয়ের উপর ৩টি বইয়ের লেখক। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে ৭০টিরও অধিক প্রকাশনা রয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এবং ম্যাগাজিনে খাদ্য প্রযুক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ের উপর ৩০টি প্রবন্ধ প্রকাশ করেছি। আমি ১৯৯৯ সন থেকে ‘বাংলাদেশ জার্নাল অব এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি।
পরিদর্শক বা সুপারভাইজ সম্পর্কে বলুন।
আমার তত্ত্বাবধানে একজন পি.এইচডি এবং ৭৫জন ছাত্র-ছাত্রী এম.এস ডিগ্রী অর্জন করেছেন এবং বাকৃবি-এর অর্থায়নে পরিচালিত ১২টি গবেষণা প্রকল্পের টিম প্রধান গবেষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছি।
