মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণে রেজিস্ট্রেশন শুরু ১৩ জানুয়ারি

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২৩
আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মালয়েশিয়ায় সরকারি পর্যায়ে কর্মী পাঠানোর জন্য আগ্রহীদের নিবন্ধন কার্যক্রম। ঐদিন থেকে তিনটি ধাপে সারা দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের নিবন্ধন করা শুরু হবে। ১৭ জানুয়ারির মধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হবে। সোমবার ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, নিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক বিভাগকেই তিন দিন করে সময় দেয়া হবে। ঢাকা ও বরিশাল বিভাগে নিবন্ধন করা হবে ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারি। এরপর ১৬ জানুয়ারি লটারিতে নির্বাচন করা হবে নিবন্ধিতদের মধ্যে কারা মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন। রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগে ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি নিবন্ধন এবং ১৭ তারিখ লটারি হবে। খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি নিবন্ধন করা হবে। লটারি হবে ১৮ জানুয়ারি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রে ৫০ টাকা ফি দিয়ে নিবন্ধন করা যাবে। মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহীদের বারবার নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না, একবার নিবন্ধন করলেই চলবে। এ তালিকাভুক্তদের মধ্য থেকে প্রথম চাহিদাপত্র অনুযায়ী লোক পাঠানো হবে। চাহিদা না থাকলে লোক পাঠানো বন্ধ থাকবে। তবে পরে চাহিদাপত্র পাওয়া গেলে তালিকাভুক্তদের মধ্য থেকেই লটারি করে লোক পাঠানো হবে। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে বনায়ন ও কৃষিখাতে ৩০ হাজার কর্মী দেশটিতে পাঠানোর কথা রয়েছে। রবিবার পর্যন্ত ১০ হাজার কর্মীর চাহিদাপত্র পাওয়া গেছে। তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রথমে এই ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের চাহিদাপত্র অনুযায়ীই লোক পাঠানো হবে। মালয়েশিয়ায় গমনেচ্ছু কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় ধার্য হয়েছে বিমান ভাড়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য খরচ বাবদ জনপ্রতি সর্বমোট অনধিক ৪০ হাজার টাকা। সংশ্লিষ্ট কর্মীকে এই টাকা বিভিন্ন ধাপে সরকার নির্ধারিত স্থানে জমা দিতে হবে। মালয়েশিয়ায় যেতে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে টাকা দিতে হবে না।