রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৬ শতাংশ

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:০৯
সদ্য শেষ হওয়া ২০১২ সালে রেমিট্যান্স এসেছে আগের বছরের চেয়ে ১৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেশি। গেল বছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ৪১৭ কোটি ৪৯ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। আর আগের বছরে তারা পাঠিয়েছিলেন এক হাজার ২১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এদিকে বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে দেশে ১২৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার সমপরিমাণ,রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১১ সালের মার্চ মাস থেকেই রেমিট্যান্স ১০০ কোটি ডলারের উপরে উঠে যায়। সে সময় থেকে বর্তমান পর্যন্ত অল্প কয়েক মাস বাদে প্রায় সকল মাসেই রেমিট্যান্স একই ধারায় ছিল এবং মাস পার হলেই নতুন নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছিল। বেশি পরিমাণে রেমিট্যান্স আসায় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণও বেড়েছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১২ সালে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে অক্টোবর মাসে। সে মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৪৫ কোটি ৩৬ লাখ ডলার। আর সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছিল জুন মাসে। ওই মাসের রেমিট্যান্স ছিল ১০৭ কোটি ৮ লাখ ডলার। এছাড়া অন্যান্য মাসের মধ্যে জানুয়ারিতে ১২২ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার, মার্চে ১১০ কোটি ৯১ লাখ ডলার, এপ্রিলে ১০৮ কোটি ৩৮ লাখ ডলার এবং মে মাসে ১১৫ কোটি ৬৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। আর জুলাই মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১২০ কোটি ১১ লাখ ডলার, আগস্টে ১১৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ১১৭ কোটি ৮৮ লাখ ডলার এবং নভেম্বর মাসে এর পরিমাণ ছিল ১১০ কোটি ২১ লাখ ডলার। রেমিট্যান্সেরক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গেল বছরের নভেম্বরের চেয়ে ডিসেম্বর মাসের রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশ। আর তার আগের বছর অর্থাত্ ২০১১ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় আলোচ্য মাসের রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক চার শতাংশ। এছাড়া চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) পর্যন্ত যে রেমিট্যান্স এসেছে তা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গেল অর্থবছরের ডিসেম্বর মাসে ১২৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ২৯ লাখ ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত দুটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১কোটি ৬২ লাখ ডলার, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার এবং বিদেশি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৮১ লাখ ডলার।