নিয়োগ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে বিগত প্রায় ৪ মাস ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অচল থাকার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ২৭ ডিসেম্বর ভিসি প্রফেসর ড. এম আলাউদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সেই সাথে নতুন ভিসি হিসাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম অনুষদের শিক্ষক প্রফেসর ড. আব্দুল হাকিমকে নিয়োগ দেয়া হয়। এর ৫ দিনের মাথায় প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. কামালউদ্দিনকেও অব্যাহতি দেয়া হয়। এতে নতুন ভিসির অধীনে, শীতকালীন ছুটি শেষে আজ ক্যাম্পাস খুললেও ট্রেজারারের পদত্যাগের দাবিতে সহসা চালু হচ্ছে না ক্লাস-পরীক্ষা। এতে হতাশ ১৪ হাজার শিক্ষার্থী।
গত শনিবার এক বিবৃতিতে শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, ‘যে সিদ্ধান্তের আলোকে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি তথা ক্লাস-পরীক্ষাসহ সকল প্রকার প্রশাসনিক ও একাডেমিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রয়েছি, এখনও আমরা সেই সিদ্ধান্তে অটল আছি। তবে ট্রেজারার প্রফেসর ড. শাহজাহান আলীর পদত্যাগ, অবৈধ নিয়োগ বাতিল, গত ১৯ নভেম্বর আন্দোলনরত শিক্ষকদের উপর হামলার বিচার এবং অবাঞ্ছিত ঘোষণার পর বিদায়ী ভিসি রাতের আঁধারে যেসব লোকের পদোন্নতি, রদবদল করেছেন তা বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’
