মু খো মু খি

মঞ্চে নিয়মিত অভিনয় করব

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:০৫
এ সময়ে ছোটপর্দার সবচেয়ে ব্যস্ত ও জনপ্রিয় তারকা সজল। শুধুমাত্র এক ঘণ্টার নাটক ও টেলিফিল্ম করেই নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন দীর্ঘদিন। ছোটপর্দায় নিজের ব্যস্ততা ও নাটকের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন বিনোদন প্রতিদিন-এর সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন রবি হাসান কেমন আছেন? নিজের ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলুন। নিজের কাজকর্ম নিয়ে বেশ ভালোই আছি। তবে গত নভেম্বর মাস পুরোটাই বিশ্রাম নিয়েছি। টানা প্রায় কয়েক বছর হবে কোনো বিশ্রাম ছাড়াই কাজ করেছি। তাই মনে হলো একটু বিশ্রামের প্রয়োজন। সেই বিশ্রামে নিজের অনেক কাজ গুছিয়েছি, অনেকগুলো স্ক্রিপ্ট পড়েছি, এর মধ্যে অনেকগুলো গল্পে কাজ করার জন্য বাছাইও করেছি। এইতো গেল মাসের মাঝামাঝি থেকে আবারও পূর্ণোদ্যমে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। শুনেছি আপনি মঞ্চে কাজ করার উদ্যোগ নিচ্ছেন? হুমম্, অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম নিজেকে মঞ্চের সঙ্গে যুক্ত করব। মঞ্চে নিয়মিত কাজ করার ইচ্ছেটা অনেক দিনের। মঞ্চে অভিনয় করার আনন্দই আলাদা, সেখানকার প্রাপ্তিটাও আলাদা। মঞ্চে কাজ করা নিয়ে অনেকের সঙ্গে কথাও বলেছি। এখন যদি সব মিলে যায় তাহলে অবশ্যই মঞ্চে কাজ করব। মঞ্চে কাজ করতে গেলে তো অনেক সময় ব্যয় করতে হয়। নিয়মিত রিহার্সালে অংশ নিতে হয়। আপনার মতো ব্যস্ত একজন অভিনেতা এটা কীভাবে সামাল দেবেন? আসলে কোনো কিছুরই সময় কখনও হয় না। সময় কারও হাতেই থাকে না। তবে প্রয়োজনের খাতিরে সময়কে ম্যানেজ করে নিতে হয়। আবার সব সময় যে প্রয়োজনের খাতিরে তা না, ইচ্ছেটা হচ্ছে বড় শক্তি। ইচ্ছে থাকলে অবশ্যই সময় বের করা যাবে। আমাদের এখনকার নাটক প্রসঙ্গে একটু বলুন? দিন দিন প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়ছে, নাটকের মান ততই বাড়ছে। সেই দিক থেকে আমরাও থেমে নেই। বিশেষ করে তরুণরা এই প্রযুক্তিকে ব্যবহারের দিকে এক ধাপ সব সময় এগিয়ে। নতুনদের কাজের মধ্যেও অনেক নতুনত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। তারা একঘেয়েমিকে ভাঙতে জানে। যেকোনো কিছুতে এক্সপেরিমেন্ট করার সাহসটাও তাদের তীব্র। সেই দিক থেকে আমাদের নাটকের বর্তমান ও ভবিষ্যত্ দুটোই ভালো। যদি ভালোই হয়ে থাকে, তাহলে এখনও আমাদের দেশের অধিকাংশ দর্শক ভারতীয় চ্যানেলে নির্ভরশীল কেন? এ দেশের দর্শক যে আমাদের নাটকগুলো দেখছে না তা কিন্তু ঠিক না। এখন আরও বেড়েছে নাটক দেখার হার। আগে দেশে ১টি মাত্র চ্যানেল ছিল, তাই দর্শকদের বাধ্য হয়ে সেই চ্যানেলেই থাকতে হতো। এখন তো এক রিমোটে একশত-এর উপরে চ্যানেল। স্বাভাবিকভাবেই রিমোটের বোতাম চাপতে চাপতেই দিন পার করে দেয় মানুষ। তারপর আরেকটা জিনিস আছে, আমাদের চ্যানেলে নাটক প্রচারের সময় বিজ্ঞাপন প্রচারের বিষয়টা, তারা যে হারে বিজ্ঞাপন প্রচার করে তাতে দর্শকের বিরক্ত লাগাটাই স্বাভাবিক। আর এই বিরক্তির কারণেই দর্শক আবার রিমোটে মনোযোগী হয়। এ ধরনের বহু কারণ রয়েছে। যা বলতে গেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বলা যাবে। তবে হ্যাঁ, আমাদের নাটকের দর্শক আগের থেকে অনেক বেড়েছে, মানও বেড়েছে।