মার্শাল আইয়ুব ও মেহরাব জুনিয়রের ব্যাটিং নৈপুণ্যে শুরুর বিপদ কাটিয়ে প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৩১ রান করেছে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। ৯৫ রানে অপরাজিত আছেন মার্শাল আইয়ুব। সাথে ৭৫ রানে ব্যাট করছেন মেহরাব হোসেন জুনিয়র। দলীয় ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মার্শাল-মেহরাবের ১৭৫ রানের জুটিতে বড়ো স্কোর গড়ার স্বপ্ন দেখছে ওয়ালটন।
এর আগে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে টসে জিতে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের অধিনায়ক অলক কাপালী প্রতিপক্ষ ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনকে ব্যাট করতে পাঠান। সবাইকে অবাক করে সামসুর রহমানের সাথে ইনিংস উদ্বোধন করতে নামেন তারকা স্পিনিং অলরাউন্ডার ইলিয়াস সানি। ৪৭ রানের জুটি গড়ার পর ব্যক্তিগত ২৩ রানে নাবিল সামাদের বলে বিদায় নেন সামসুর রহমান।
এরপর মাত্র ৯ রানের ব্যবধানে চারজন সেরা ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে ওয়ালটন। নাবিল সামাদ একাই তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনকে দিনের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন। ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপাকে পড়া দলকে বিপদমুক্ত করতে শক্ত হাতে ব্যাট চালান মার্শাল আইয়ুব এবং মেহরাব হোসেন জুনিয়র। দু’জনে ১৭৫ রানের জুটি গড়ে দলকে সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছে দেন। বগুড়ায় আগের ম্যাচেই বিসিবি নর্থের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা মেহরাব জুনিয়র অপরাজিত আছেন ৭৫ রানে। ১৫১ বল খেলে ১০টি চার ও একটি ছক্কা দিয়ে সাজানো তার ইনিংস। আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান মার্শাল আইয়ুব সেঞ্চুরি থেকে আর মাত্র ৫ রান দূরে। প্রথম ম্যাচে প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোনের বিপক্ষে ১২৫ রানের পর গত ম্যাচে বিসিবি নর্থের বিপক্ষে করেছেন ৪০ রান। গতকাল তিনি ৯৫ রানের অপরাজিত ইনিংসে ১৪টি বাউন্ডারির সাথে ছক্কা হাঁকিয়েছেন একটি। ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের নাবিল সামাদ ৪১ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
ঘনকুয়াশার কারণে আলো স্বল্পতায় খেলা শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯টায়। শুরুর মাত্র ১২ মিনিট পর সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে আবারও বন্ধ হয়ে সকাল ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ থাকে খেলা। এরপর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে আলো স্বল্পতার কারণে আবারও খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ থাকার পর পুনরায় খেলা শুরু হয়। বাজে এই আবহাওয়ার কারণে কাল খেলা হয়েছে মাত্র ৬৬ ওভার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন, ১ম ইনিংস: ২৩১/৪, মার্শাল আইয়ুব ৯৫*, মেহরাব জুনিয়র ৭৫*, নাবিল সামাদ ৪১/৩।
