নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা আজ শুক্রবার সেন্ট জর্জেজ পার্কে শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের আগে নিজেদের বোলারদের খেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার দুর্ধর্ষ আক্রমণ সামলাতে নিজেদের প্রস্তুত করে তোলার চেষ্টা চালায়। নিজ দলের এই প্রস্তুতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ফাস্ট বোলার ক্রিস মার্টিন বলেন, আমরা বেশ ভালভাবেই বুঝতে পারছি আসন্ন চ্যালেঞ্জ কিরকম। তাই সম্ভাব্য লড়াইয়ের জন্য যতটা সম্ভব সমপরিমাণ শক্তি খাটিয়ে এবং দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে প্রস্তুত হতে হবে।
কেপ টাউনে সিরিজের প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ২৭ রানে পরাজয়ের পথে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে মাত্র ৪৫ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার তিন পেসার ভারনন ফিল্যান্ডার, ডেল স্টেইন ও মরনে মরকেলের বিধ্বংসী বোলিংয়েই মূলত এমন বাজে হারের কবলে পড়ে সফরকারীরা। তবে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে দ্বিতীয় টেস্টে খেলতে পারছেন না ফিল্যান্ডার। কিন্তু তারপরও স্টেইন, মরেকেলের পাশাপাশি জ্যাক ক্যালিস এবং ফিল্যান্ডারের স্থলাভিষিক্ত ররি ক্লেইনভেল্টের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তেই হচ্ছে ব্ল্যাক ক্যাপ ব্যাটসম্যানদের। এ সম্পর্কে মার্টিন বলেন, ‘অনুশীলনে স্টেইন, মরকেল এবং ফিল্যান্ডারের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি কল্পনা করা কঠিন। তবে দ্বিতীয় টেস্টের আগে আমরা বোলাররা চেষ্টা চালিয়েছি যাতে ব্যাটসম্যানরা নিশ্চিত হতে পারে তাদের কাঙ্ক্ষিত অনুশীলন। খানিকটা বিরুদ্ধতা এবং আরো বেশি আগ্রাসী মনোভাব।’ এরকম একটা অনুশীলনের পর আপনি আরো বেশি পরিমাণ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে ভাবতে পারেন। সিরিজের প্রথম টেস্টটি তিনদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। মঙ্গলবার পোর্ট এলিজাবেথে পুনরায় একত্রিত হবার আগে দক্ষিণ আফ্রিকানরা তিনদিনের ছুটিতে ছিল। অপরদিকে সিরিজের শেষ ম্যাচটিতে নামার আগে নিজেদের আসল খেলাটা ফিরে পেতে তারা প্রথম টেস্ট শেষ হবার পরের দিন থেকেই অনুশীলন শুরু করে।
কিন্তু সিরিজের প্রথম টেস্টেই প্রমাণ হয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে অষ্টম স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের ব্যবধানটা কতটুকু। তাই এই সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতলেও আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে এক পয়েন্ট হারাবে। কিন্তু যদি বিপক্ষকে ‘হোয়াইটওয়াশ’ করে তবে প্রোটিয়ারা পাবে মাত্র এক পয়েন্ট। তবে যদি সফরকারীরা সিরিজে সমতা ফেরায় তবে দক্ষিণ আফ্রিকা চার পয়েন্ট হারাবে এবং নিউজিল্যান্ড একই সংখ্যক পয়েন্ট পাবে।-বাসস
