ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা কম থাকায় বিদেশে ডাক্তার ও নার্সদের চাকরির সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের ডিগ্রিপ্রাপ্ত নার্সরা পেশাগত দক্ষতায় বিশ্বের অনেক দেশের নার্সদের সমকক্ষ হলেও ইংরেজিতে দক্ষ না হওয়ায় সিজিএফএনএস এবং এনসিএলএক্স-এর মতো আন্তর্জাতিক টেস্টিং পরীক্ষায় তারা অবতীর্ণ হতে পারছেন না। ইংরেজিতে দক্ষ হতে পারলে নার্স, ডাক্তারসহ স্বাস্থ্যসেবা খাতের অন্যান্য পেশাজীবীর বিদেশে চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তাতে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ (আইএমসি) ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির কিন বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত বিশ্ব স্বাস্থ্যশিক্ষার ক্ষেত্রে পেশাজীবীদের জন্য দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজি (ইএসএল) এবং সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনার উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন আইএমসি’র গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) এম. আব্দুর রব। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইকেল সিয়ারসন, মানবসম্পদ পরিচালক ফারুক চৌধুরী, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেয়ার লিমিটেডের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন খান, পরিচালক ডা. আহমেদ আল কবীর, আইএমসি’র উপদেষ্টা বিষয়ক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এ এম খায়রুল বাশার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ডাক্তার ও নার্সদের ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় আইএমসি সর্ব প্রথম ইংলিশ এজ সেকেন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স চালু করেছে। এ বিষয়ে আইএমসি ও কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ইংরেজী শিক্ষা, স্টুডেন্ট ও ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ, যৌথ গবেষণা পরিচালনা ও অন্যান্য শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে।
এ কোর্সে কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মার্ক এ শ্রায়ক নিয়োজিত রয়েছেন। ১৬ মাসের এ কোর্সের জন্য শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। এছাড়া এখানে শুধু মেডিক্যালের শিক্ষার্থী নয় বাইরের শিক্ষার্থীরাও অংশ নিতে পারবে। এ কোর্সের তৃতীয় ব্যাচের কার্যক্রম খুব শিগগিরই শুরু হবে বলে বক্তারা জানান।
