ফ্রান্সে নিরাপত্তা জোরদার

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৫১
জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় ফ্রান্সে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করেছে দেশটির সরকার। মালি ও সোমালিয়ায় সামরিক অভিযান চালানোর পর ইসলামপন্থী জঙ্গি দলগুলো ফ্রান্সে পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলে সন্দেহ করছে দেশটি। তবে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাদ বলছেন যে তার দেশ জঙ্গিদের কাছে নতি স্বীকার করবে না। অন্যদিকে, ফরাসি সামরিক বাহিনীর সহায়তায় কনা শহরের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে মালির সরকারি বাহিনী। মালিতে ইসলামী জঙ্গিদের ওপর ফরাসি সামরিক বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাদ বলেছেন যে সরকারি ভবন ও পরিবহনগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে। মি. ওলাদ বলছেন- ফ্রান্স ইতিমধ্যেই শত্রুবাহিনীকে নাস্তানাবুদ করেছে। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। টেলিভিশনে সমপ্রচারিত এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট নিখোঁজ দুই ফরাসি কমান্ডোর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সোমালিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী আল-শাবাবের হাতে আটককৃত একজন জিম্মিকে উদ্ধারে চালানো এক অভিযান ব্যর্থ হলে ঐ দুই কমান্ডে নিখোঁজ হন। এদের একজন নিহত এবং অন্যজন নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঐ অভিযানে একজন ফরাসি গোয়েন্দা ও আরও ১৭ জন ইসলামপন্থী বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে ধারণা করছেন ফরাসী কর্মকর্তারা। অন্যদিকে আল-শাবাব বলেছে যে ঐ ফরাসি গোয়েন্দা জীবিত আছেন। একইসঙ্গে তারা আরও একজন ফরাসি সৈন্যকে আটক করেছে বলে দাবি করেছে। দু’পক্ষের লড়াইয়ে কমপক্ষে একশ’ ইসলামী জঙ্গি নিহত হয়েছে। ওদিকে, পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর অর্থনৈতিক গ্রুপ ‘ইকোওয়াস’ মালিতে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বামোকোতে ইকোওয়াস প্রতিনিধি আবদুদু তৌগ চিয়েকা বলেছেন- আগামী দশদিনের মধ্যে আমাদের ২০০০ সৈন্য মালির সৈন্যদের সাথে যোগ দেবে। তবে নির্ধারিত সময়ের বেশি তারা সেখানে অবস্থান করবে না।