কুয়েত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেবিসিসিআই) সেক্রেটারি আবদুল মতিন ভুইয়া বলেছেন, কুয়েতে বাংলাদেশের পোশাক ও খাদ্য দ্রব্যের ভালো চাহিদা রয়েছে। তবে দেশটিতে সরাসরি বাংলাদেশি পণ্য রফতানি হচ্ছে না। কয়েকটি দেশ ঘুরে কুয়েতে পণ্য যাচ্ছে। যদি কুয়েতে বাংলাদেশের পোশাক ও খাদ্য দ্রব্য রফতানির বিষয়টি নিশ্চিত করা যায় তাহলে প্রতি বছর এ দু পণ্যের মাধ্যমেই ২০ হাজার কোটি টাকা রফতানি করা সম্ভব। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। কুয়েতে কেবিসিসিআই’র উদ্যোগে গত মাসে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশি পণ্যের ৩ দিনব্যাপী বাণিজ্যমেলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আতাউর রহমান কামাল, ভাইস প্রেসিডেন্ট জাহিদ আহমেদ চৌধুরীসহ আরও অনেকে।
সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, মেলায় ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) প্রায় ৫ কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের সার্টিফিকেট বিক্রি হয়েছে। আরো ১শ’ কোটি টাকার সার্টিফিকেট বিক্রির প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। এছাড়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল লোক না থাকায় বড় অঙ্কের অর্ডার পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশি পণ্যের ব্যাপারে কুয়েতিদের মধ্যে ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। তাই কুয়েতের বাজারকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ট্রেড ফেয়ারে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ৭টি ব্যাংক, প্রাণ, ইফাদ, রাজকামাল, সজিবসহ বেশ কয়েকটি খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি, লেদার, সিরামিক, হস্তশিল্প, প্রস্তুতকৃত পোশাক, রিয়েল এস্টেট, আইটি কোম্পানি অংশ নেয়।
কুয়েতে বাংলাদেশের বাণিজ্যের প্রসার করতে দেশটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা স্থাপন, ইনফরমেশন অ্যান্ড কালচারাল উইং খোলা, সরকারি বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিনিধি দলকে পাঠানো, শিপমেন্ট পদ্ধতির জটিলতার নিরসন করাসহ ৬টি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
