‘চোরাবালি’ চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর
আপনার সময় কেমন কাটছে?
ছবিটি মুক্তির আগের দিন গিয়েছিলাম কলকাতায়। পরদিন নান্দিকার আয়োজিত জাতীয় নাট্যোত্সবে ঢাকা থিয়েটারের ‘দ্য টেম্পেস্ট’ নাটকের প্রদর্শনী হয় ভারতের কলকাতায় একাডেমি অব ফাইন আর্টসে। এই নাটকে অভিনয় করেছি আমি। কলকাতা থেকে দেশে ফিরে কক্সবাজারে যাই। সেখানে সমুদ্রসৈকতে ‘দ্য টেম্পেস্ট’ এবং রামুতে ‘ধাবমান’ নাটকের প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছি। বর্তমানেও দলের নাটক ‘ধাবমান’-এর মঞ্চায়ন নিয়ে ব্যস্ততা চলছে।
‘চোরাবালি’ চলচ্চিত্রে খয়নায়ক চরিত্রে
অভিনয় করতে কেমন লেগেছে?
খুবই ভালো লেগেছে। এখানে আমি আলী ওসমান-এর চরিত্রে অভিনয় করেছি। ১৩৯ মিনিটের ছবি ‘চোরাবালি’। এর মধ্যে পর্দায় আলী ওসমানের উপস্থিতি ৬৭ মিনিট। এই পুরো সময়টায় দর্শক মুগ্ধ হয়ে দেখেছেন একজন নতুন খলনায়কের অভিনয়। মজার ব্যাপার হলো—একটা ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেন নায়ক-নায়িকা। কিন্তু ‘চোরাবালি’ ছবিতে মুখ্য চরিত্র আলী ওসমান—একজন খলনায়ক। আমি মনে করি, এই চরিত্রটি আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
এই চরিত্রের মাধ্যমে দর্শকরা আপনাকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছে। এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কী?
কথাটি সত্য। দর্শকরা আমাকে নতুনভাবে দেখতে পেয়েছে এই চরিত্রের মাধ্যমে। সবাই বিষয়টি খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। এজন্য আমি আনন্দিত। আসলে দর্শক অনেক দিন চলচ্চিত্রে যে ধরনের খলনায়ক দেখে আসছেন, আলী ওসমান মানে
আমার চরিত্রটি সেসব থেকে একেবারেই আলাদা। আমি
এখানে নিজের অভিনয়ক্ষমতা দিয়ে চরিত্রটিকে
পুরোপুরি বাস্তব করে তুলতে চেষ্টা করেছি।
বর্তমানের ব্যস্ততা সম্পর্কে বলুন।
বর্তমানে এটিএন বাংলায় প্রচারিত ধারাবাহিক নাটক ‘ডিবি’র শুটিং করছি। এরমধ্যে হাবিব মাসুদ, তুহিন অবন্ত ও হাবিবের পরিচালনায় পৃথক তিনটি এক খণ্ডের নাটকে অভিনয় করেছি। এ ছাড়া অনিরুদ্ধ রায়ের পরিচালনায় নতুন একটি ধারাবাহিকে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে।
আপনার নাগরিক আনন্দ-বেদনা কতটুকু?
একজন নাগরিক হিসেবে আমার যতটুকু আনন্দ আছে ঠিক ততটুকুই বেদনা আছে। আমাদের মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্যে নানা অস্থিরতা আছে, যা আমাকে ভাবায় ও ব্যথিত করে। আবার সুবিধাও আছে কিছু। যা বলতে চাই না। দেশের নাগরিক হিসেবে অবশ্যই দেশের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতা আছে। তাই সমাজের জন্য সব সময় ভালো কিছু করতে চাই।
