পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই অনুষদের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের ৯ম ব্যাচের জমকালো আনন্দ বেদনার শিক্ষা সমাপনী উত্সব গত ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হলো। ভালোবাসার রঙে মন রাঙিয়ে উত্সবে মেতেছিল বিদায়ীদের সাথে ক্যাম্পাসবাসী। ছিল ভালোবাসার স্নিগ্ধ পরশ বোলানো দিবসের স্মৃতিময় একটি দিন। সন্ধ্যা ৬টায় কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। শিক্ষার্থীদের ভিড়ের কারণে বলতে গেলে ওই সময়টায় অডিটরিয়ামে ভিতরে দাঁড়ানোর তিল ধরনের জায়গা ছিল না। অনাবিল আনন্দকে সঙ্গে নিয়ে এবং বিদায়ের দুঃখকে সঙ্গে করে এ অনুষ্ঠান সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ করে। বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় মাঠে চলে, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয় বিস্কুট দৌড়, মোরগ যুদ্ধ, কৌটা ভাঙ্গা, ডিম ভাঙ্গা, ও বালিশ খেলা প্রতিযোগীতা। এর পরে চলে ফটোসেশন। বিকাল ৬টায় কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমাপনী উত্সবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল কনসার্ট। সন্ধ্যা ৬টায় অভি ও সাঈদের নান্দনিক উপস্থাপনায় বক্তব্য দিতে আসেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শামসুদ্দীন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য মহোদয়ের সহধর্মিনী সায়রা বানু, সিএসই অনুষদের ডিন অধ্যাপক আলী আজগর ভূইয়া, রেজিস্ট্রার মো. নওয়াব আলী, সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল মাসুদ, ছাত্র-উপদেষ্টা কার্যালয়ের সেকশন অফিসার ইমাদুল হক প্রিন্স এবং পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান অনুষদের প্রভাষক সুজন কান্তি মালী। উপাচার্য তার বক্তব্যে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জল ভবিষ্যত কামনা করেন। তার বক্তব্য শেষে উম্মুক্ত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। প্রথমে মঞ্চে আসেন ৩য় সেমিস্টারের ছাত্রী মৃন্ময়ী রায় কথা গান গেয়ে শোনান। এরপরে আসেন শক্তি নাচ নিয়ে। দেশের ভন্ড নেতাদের তাদের মিথ্যা আশ্বাসের পরিণতি অভিনয়ের মাধ্যমে তুলে ধরেন অর্নভের নাট্যদল। এরপরে মঞ্চে তুষার আসেন গান নিয়ে। তারপরে মঞ্চে আসেন শুভ্রা তিনি ফিউশন ড্যান্স পরিবেশন করেন।
