বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের অর্থপাচার মামলায় ৮ম সাক্ষী সোনালী ব্যাংকের ক্যান্টনমেন্ট শাখার কর্মকর্তা এহসানুল হাফিজ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি মামলার ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ মো. মোজাম্মেল হোসেইনের আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। আগামী ৩১ জানুয়ারি বাকি সাক্ষ্যের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়ার প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী এহসানুল হাফিজ বলেন, এ টাকা কার টাকা কিসের টাকা তা তিনি জানেন না। তবে পে-অর্ডার দেখে বলতে পারবেন। এরপর অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া আর সাক্ষীকে জেরা করেননি।
এদিকে বৃহস্পতিবার এ মামলার বিচারকের এখতিয়ার নিয়ে হাইকোর্টে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিমের তৃতীয় বেঞ্চ। ফলে মামলাটি নিম্ন আদালতে চলতে আর কোন বাধা রইল না। উল্লেখ্য, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে নির্মাণ কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এই টাকা লেনদেন হয়। এরপর মামুন ওই অর্থ সিঙ্গাপুরের ক্যাপিটাল স্ট্রীটের সিটি ব্যাংক এনএতে তার নামের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। এই টাকার মধ্যে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
