আবাহনী ও মুক্তিযোদ্ধার লড়াই আজ গোপালগঞ্জে

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৩
গোপালগঞ্জের ফুটবল দর্শকরা আজ আরো একটি ভালো ম্যাচ দেখতে পারবেন। পেশাদার ফুটবল লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোপালগঞ্জে শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে আবাহনী লিমিটেড ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র মুখোমুখি হবে আজ বেলা আড়াইটায়। আশা করা হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটা লড়াই দেখতে পারবে দর্শকরা। কারণ আবাহনী শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে নেমেছে। একই লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে আছে মুক্তিযোদ্ধা। সমান সাত খেলায় আবাহনী ১৬ এবং মুক্তিযোদ্ধার অর্জন ১৩ পয়েন্ট। দুই দলের জন্য বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম পর্বে এটাই শেষ ম্যাচ। মুক্তিযোদ্ধা তিনদিন আগেই গোপালগঞ্জ পৌঁছায়, আবাহনী গেছে শুক্রবার। এটি মুক্তিযোদ্ধার ‘হোম ভেন্যু’। এবারই প্রথম তারা গোপালগঞ্জে ভেন্যু করেছে। এর মধ্যে একাধিক ম্যাচও খেলে ফেলেছে কোচ শফিকুল ইসলাম মানিকের দলটি। মোহামেডানকে এই মাঠে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা। আবাহনীর বিরুদ্ধে খেলা বলে আগের ম্যাচটির মতো আজও স্টেডিয়ামে ভীড় জমাবেন ফুটবল দর্শকরা। পেশাদার ফুটবলের গত পাঁচটি আসরে আবাহনী মুক্তিযোদ্ধা ১০ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে আবাহনীর জয়ের পাল্লাই ভারি। আবাহনী পাঁচবার জিতেছে, বাকি পাঁচটা ম্যাচ ড্র হয়েছে। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে পেশাদার লিগে আবাহনীর বিরুদ্ধে জয় নেই মুক্তিযোদ্ধার। এ কারণে গত দু’বারের রানার্সআপ মুক্তিযোদ্ধা জয়ের ব্যাপারে মরিয়া থাকবে। বাস্তবতা হলো এখন আর মুক্তিযোদ্ধার শক্তিশালি দল নেই। দু’বার সামান্য ব্যবধানে শিরোপার দুয়ার থেকে ফিরে এলেও এবারের দলে নেই তারকা খেলোয়াড়। তারপরও মানিকের পরিকল্পনা হলো নিজেদের মাঠে একটা উজ্জীবিত খেলা উপহার দিয়ে পেশাদার ফুটবলে আবাহনীর বিরুদ্ধে প্রথম জয়টি তুলে নেয়া। আবাহনীর ইরানী কোচ আরদেশির পূরণামাথ কি সে সুযোগ দেবেন? কারণ তিনিও গত কয়েকদিন অনুশীলন মাঠে খেলোয়াড়দের নিখুঁত তালিম দিয়েছেন। প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠানোর কৌশল আর দলের বিপদে করণীয় কি হবে তাও শিখিয়েছেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধাকে আটকাতে তার পরিকল্পনা কতটা কাজে লাগবে সেটা দেখবেন গোপালগঞ্জের দর্শক।