দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা ১৪ দিন ধরে লেনদেন হচ্ছে দুইশত কোটি টাকার নিচে। আর গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে লেনদেনের পরিমাণ ৪শত কোটি টাকা ছাড়াতে পারেনি। এতে বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সঙ্কট তীব্র হয়ে উঠছে। এদিকে লেনদেন কমে যাওয়ায় বাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বেশ চাপের মুখে পড়ে গেছে। তাই বাজারে লেনদেন বাড়াতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-২০ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৯ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৫০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ০২৭ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৬৭টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৬টির, কমেছে ১৬৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিন ডিএসইতে হাত বদল হয়েছে ২৬৭টি কোমপানির ৩ কোটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ৩৭ টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
লেনদেনের ভিত্তিতে ডিএসইর প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ইউনিক হোটেল, বেক্সিমকো, এনভয় টেক্সটাইল, আরএন স্পিনিং, বিএসআরএম স্টিল, জেনারেশন নেক্সট, কনফিডেন্স সিমেন্ট, এনবিএল ও বেক্সিমকো ফার্মা। দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- ৪র্থ আইসিবি, আলহাজ্ব টেক্সটাইল, মেঘনা সিমেন্ট, রিলায়েন্স ইন্সুরেন্স, ৮ম আইসিবি, ৫ম আইসিবি, কনফিডেন্স সিমেন্ট, আরামিট সিমেন্ট, মেঘনা লাইফ ও নিটল ইন্সুরেন্স। অন্যদিকে দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোমপানি হলো- প্রগতি লাইফ, ম্যারিকো ইন্ডাস্ট্রিজ, বিএটিবিসি, এনভয় টেক্সটাইল, প্রগ্রেসিভ লাইফ, মালেক স্পিনিং, আইসিবি এএমসিএল ২য়, ব্র্যাক ব্যাংক, আইসিবি ইসলামি ব্যাংক ও অগ্নি সিস্টেম।
এদিকে গতকাল দেশের অপর স্টক এক্সচেঞ্জ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ৫২ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৬৬৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসই-৩০ মূল্য সূচক ৪৬ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৮৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৭২ লাখ ৮৯ হাজার ৫৭২ টাকা। লেনদেনকৃত ১৬০টি কোম্পানির মধ্যে দাম কমেছে ১১০টির, বেড়েছে ৩৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৬টি শেয়ারের দাম।
