আবারো তদন্ত কমিটির মুখোমুখি নাদীর শাহ

আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৬
ক্রিকেট ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ ওঠা বাংলাদেশি আম্পায়ার নাদীর শাহকে দ্বিতীয়বারের মতো গঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হতে হয়েছে। এতে দোষী প্রমাণিত হলে মাঠ থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন এই আম্পায়ার। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কিনা এই বিষয়ে আপাতত কিছু বলতে নারাজ তদন্ত কমিটি। নাদীর শাহ গত শনিবার সন্ধ্যায় তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হয়েছিলেন। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন তিনি। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমাকে ডাকা হয়েছিল, আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য সব বলেছি। এখন তারা কি সিদ্ধান্ত নেয়, এটা তাদের ব্যাপার। তবে আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি, আমাকে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। আমি ম্যাচ পাতানোর সাথে জড়িত নই’। ম্যাচ পাতানোর সাথে জড়িত থাকলে সর্বোচ্চ শাস্তি কি হতে পারে? এমন প্রশ্নে তদন্ত কমিটির সদস্য ও বিসিবির সাবেক পরিচালক শাকিল কাশেম বলেন, ‘আমরা নাদীর শাহসহ আরো কয়েকজনের সাথে কথা বলেছি। সবার কথা শুনেছি। এখন তাদের কথার উপর নির্ভর করে আমরা বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করবো। আসলে কি ধরনের শাস্তি হতে পারে, এটা এখনি বলা সম্ভব নয়। ম্যাচ পাতানোর সাথে যিনিই জড়িত হবেন, এটা শাস্তির প্রকারভেদ অনুযায়ী প্রয়োগ হবে। আমরা বিসিবির কাছে এ সপ্তাহের শেষে রিপোর্ট জমা দিব। বিসিবি তা দেখে শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে’। জানা গেছে, ম্যাচ পাতানোর সাথে জড়িত বলে প্রমাণিত হলে নাদীর শাহকে নিষিদ্ধ করতে পারে বোর্ড। তদন্ত কমিটি নাদীর শাহ ছাড়াও ডেকেছিল আম্পায়ার শরিফুল্লাহ ইবনে সৈকতকে। তদন্ত কমিটির সদস্য শাকিল কাশেম বলেন, ‘আমরা সৈকতকেও ডেকেছিলাম। আসলে ম্যাচ পাতানোর সাথে যাদের নাম এসেছে তাদের সাথে কথা বলেছি’। জানা গেছে, ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সেই সাংবাদিকের সাথেও কথা বলেছে তদন্ত কমিটি। এমনকি জাতীয় দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের সাথেও কথা বলেছে তারা। ভারতীয় ওই টিভি চ্যানেলটিতে দেয়া সাক্ষাত্কারে যে কোনো ধরনের ক্রিকেটে ম্যাচ পাতাতে পারেন বলে মত দিয়েছিলেন আম্পায়ার নাদীর শাহ। সেই সাক্ষাত্কারের পর বিসিবি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে; কিন্তু সেই কমিটি ব্যর্থ হওয়ার পর বিসিবির এডহক কমিটি নতুন করে তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন, বিসিবির নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজবাহ সেরনিয়াবাত ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জামিল মাহমুদ।