ভারত, আফগানিস্তান, শ্রীলংকা আসেনি টুর্নামেন্টে। যে কারণে সিটিসেল সাউথ এশিয়ান বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানই ছিল বাংলাদেশের বড় প্রতিপক্ষ। কিন্তু অতীত ইতিহাসে বাংলাদেশ কখনোই পাকিস্তানকে হারাতে পারেনি। রবিবার রাতে সেই পাকিস্তানকে হারিয়ে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ শিরোপা জয়টি। কিন্তু সেটি জানতোই না বাস্কেটবল ফেডারেশন কর্মকর্তারা। উত্সুক সংবাদ মাধ্যমের কারণে ফেডারেশন কর্মকর্তারা তড়িত্ কাগজ কলম নিয়ে অংক মিলিয়ে খুঁজে পেয়েছেন এক ম্যাচ হাতে রেখে উত্সব করতে পারে বাংলাদেশ। রবিবার রাতে পাকিস্তানকে হারানোর আনন্দ করলেও শিরোপা জয়ের উত্সব করেননি বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। গতকাল লিগ পদ্ধতির শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ ৬৯-৫৪ পয়েন্টে মালদ্বীপকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে ধানমন্ডি বাস্কেটবল জিমনেসিয়ামে আনন্দ করেছেন বাংলাদেশের খালেদ, শাওন, সাগররা। পাঁচ দেশের টুর্নামেন্টে রানার্সআপ হয়েছে পাকিস্তান এবং তৃতীয় স্থান নেপালের। ২০০২ সালে আসামে প্রথমবার অনুষ্ঠিত হয় সাউথ এশিয়ান বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশীপ। সেবার রানার্সআপ হয়েছিল বাংলাদেশ।
এসএ গেমস ব্রোঞ্জ জয়ী বাংলাদেশ অনেক দিন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে শিরোপা জয় করেনি। এবার ঘরের কোটে পাওয়া শিরোপাটি বাংলাদেশের জন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশ দলের মিথুন কুমার বিশ্বাস টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড়, মালদ্বীপের জিলালকে সিটিসেল সেরা খেলোয়াড় এবং ভুটান সুশৃংখল দলের পুরস্কার পেয়েছে।
খেলা শেষে পুরস্কার বিরতণ করেন ফিবা এশিয়ার সভাপতি শেখ সউদ বিন আলী আল থানি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফিবা এশিয়ার মহাসচিব হ্যাগপ খাজিরিয়ান এবং টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষক সিটিসেলের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশনস এন্ড পাবলিক রিলেশনস তাসলিম আহমেদ ও সাউথ এশিয়ান বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অজিত কুরুপ্পু।
বাংলাদেশ দলঃ রাশেদুজ্জামান, মিথুন কুমার বিশ্বাস, হেদায়েতুল ইসলাম সাগর, খালেদ মাহমুদ আকাশ, মাহমুদুল হাসান শাওন, মোরশেদ আলম, তোজাম্মেল হক,আতাউর রহমান, মিথুন সরকার, আরিফ হোসেন বাপ্পী, শেখ তাহমিদ হাসিন, মোহাম্মদ ইব্রাহীম। কোচ ওয়াসিফ আলী, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সহকারী প্রশিক্ষক, মাহতাবুর রহমান বুলবুল, ম্যানেজার, খায়রুল আলম ফরহাদ, সহকারী ম্যানেজার।
