বয়স ৫০ পেরোলেও থাকতে পারেন প্রফুল্ল-উদ্যমী

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৮
পঞ্চাশোর্ধ্ব লোকদের নিয়ে ফিনল্যান্ডে একটি চমত্কার গবেষণা হয়েছে। আর এই গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের জীবন সঙ্গিনী রয়েছে তাদের মস্তিষ্ক সমস্যা, স্মৃতিশক্তি ও চিন্তাশক্তি সমস্যা কম হয়েছে। বিশেষজ্ঞগণ গবেষণায় ৫০ বছর বয়সের ১৫শ লোক অন্তর্ভুক্ত করেন এবং ২০ বছর পর তাদের শারীরিক সমস্যা ও ফিটনেস মূল্যায়ন করেন। এতে দেখা যায়, যাদের সহধমির্ণী বা জীবন সঙ্গিনী ছিলো তাদের ৭০-এর কোটায় এসেও মানসিক জোর রয়েছে প্রবল। মস্তিষ্ক শক্তি, স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিমত্তাও ছিলো প্রখর। অথচ গবেষকগণ দেখতে পান, যে সমস্ত পুরুষ-মহিলা, জীবনে কখনো বিয়েই করেননি অথবা ডিভোর্স হয়ে গেছে অথবা একাকী জীবন বেছে নিয়েছেন তাদের মেমোরি ও চিন্তাশক্তি হ্রাস পেয়েছে একই বয়সের যুগল গ্রুপের তুলনায়। গবেষণায় আরো দেখা যায়, জীবনসঙ্গী-সঙ্গিনীর একত্রে আন্তরিকভাবে অবস্থানের কারণে মহিলাদের থেকে পুরুষরাই অধিক প্রফুল্ল ও উদ্যমী থেকেছেন এবং পুরুষদের মস্তিষ্কের এজিং প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে বেশি। এর একটা বৈজ্ঞানিক কারণও আছে। আর এই কারণটি হচ্ছে, মহিলারা কেয়ারিং হন বেশি। অবশ্য অনেক ক্ষেত্রে এর উল্টোটাও আছে। যে কারণে পুরুষের সমস্যা কম হয়। পক্ষান্তরে পুরুষরা অধিক বয়সে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গিনীর প্রতি যথেষ্ট কেয়ারিং থাকেন না এবং পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলাদের হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে নানা জটিলতা হওয়ায় শারীরিক ফিটনেস ও মানসিক অবস্থা পুরুষের তুলনায় খানিকটা দুর্বল থাকে। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, স্বামী স্ত্রীর প্রতি যথেষ্ট সহানুভূতিশীল ও কেয়ারিং থাকলে পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলাগণও হরমোন ও শারীরিক পরিবর্তন সত্ত্বেও থাকতে পারেন অ্যাকটিভ ও প্রাণবন্ত।