এককভাবে শীর্ষে আবাহনী

আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১০
ফেনীতে সকার ক্লাবের বিরুদ্ধে আবাহনী ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। তখন বড় জয়ই দেখতে পাচ্ছিল দলটি। কিন্তু হঠাত্ করেই ফিরে আসে স্বাগতিকরা। পরপর দুটি গোল করে আবাহনীর শিবিরে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ফেনী থেকে ৩-২ গোলের জয় নিয়ে অবশ্য ফিরছে আবাহনী। এদিকে দিনের অন্য ম্যাচে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বিজেএমসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্রীড়াচক্র। ম্যাচ জিতলেও আবাহনীর কোচ অফিসিয়ালরা দারুণ ক্ষুব্ধ খেলোয়াড়দের উপর। কারণ কর্মকর্তারা মনে করছেন, আরও গোলের ব্যবধান বাড়াতে গিয়ে রক্ষণভাগ ফাঁকা করে সর্বগ্রাসী আক্রমণে যাওয়াটা ভুল ছিল। ম্যাচের দুই মিনিটে আবাহনীর ঘানাইয়ান খেলোয়াড় আউডু প্রথম এগিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে আউডুর স্বদেশী থুয়াম ফ্রাঙ্ক ব্যবধান বাড়ান। চার মিনিট পর গোল করেন শাখাওয়াত হোসেন রনি। এই নিয়ে রনির গোল সংখ্যা পাঁচ। ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা সকার ক্লাবকে প্রথম স্বপ্ন দেখান চট্টগ্রাম বিসিআইসি দল থেকে আসা আরিফুল ইসলাম সৈকত; ৬৩ মিনিটে গোল করেন তিনি। লাইবেরিয়ান ফুটবলার অ্যান্থনি পল ডক ৭৪ মিনিটে গোল করলে সকার ক্লাব ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারে। এবার তারা সমতা ফেরানোর লড়াই শুরু করে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তা হয়নি। গতকালে জয়ে ৯ খেলায় ২০ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী টেবিলে এককভাবে শীর্ষে উঠে গেছে। আর সকার ক্লাব ৯ খেলায় ৩ পয়েন্ট পেয়েছে। এদিকে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শেখ জামাল ও বিজেএমসি ম্যাচ গোল শূন্য ড্র করেছে। প্রথম থেকেই শেখ জামালের উপর আক্রমণ করে করে গোলের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল বিজেএমসি। ভালো সুযোগ পেয়েও দলকে এগিয়ে দিতে ব্যর্থ হন আব্দুল রশিদ। শেখ জামালও একেবারে সুযোগ পায়নি তা নয়। নিয়মিত একাদশে ঠাঁই পাওয়া সোহেল রানা সুযোগ নষ্ট করেন হেড করে বল পোস্টের বাইরে পাঠিয়ে। দ্বিতীয় পর্বের প্রথম ম্যাচে শেখ জামাল চার জন নতুন বিদেশি ফুটবলার নিয়ে মাঠে নামে। দ্বিতীয়ার্ধে শেখ জামাল গোল করে এগিয়ে যেতে পারত যদি বদলি ষ্ট্রাইকার সবুজ ব্যর্থ না হতেন। সবুজ গোলকিপার আমিনুলকে একা পেয়েও জালে বল পাঠাতে পারেননি। ৯ খেলায় জামালের ১৯ এবং বিজেএমসির ১২ পয়েন্ট। শেখ জামাল এখনো কোনো ম্যাচ হারেনি। শেখ রাসেলের সাথে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। আজকের খেলা মোহামেডান ঃ ব্রাদার্স (বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, ৪টা ৩০)