ফরিদপুর-৪ আসনের জনপ্রিয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন) এর সার্বিক প্রচেষ্টায় পদ্মার ভাঙন কবলিত চরভদ্রাসনবাসীর স্বপ্ন পূরণ এখন সময়ের ব্যাপার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলাবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডাঙ্গী পদ্মা নদীর ডানতীর রক্ষা ও ড্রেজিং প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরী (নিক্সন)।
পরে নদী পাড়ে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নিক্সন চৌধুরী বলেন, ‘গত কয়েক বছর পদ্মার ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে অত্র উপজেলার কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি, পাকা সড়ক, স্কুল, মসজিদ, কাচা পাকা ঘড় বাড়ি, বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পালা। নদী ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পরেছিল নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। নদী পাড়ের মানুষের বাড়ি ঘর ও উপজেলা পরিষদ রক্ষায় আমি মাথার ঘাম পায়ে ফেলে প্রায় ২৯৩ কোটি টাকার স্থায়ী বাধ নির্মাণের প্রকল্পটি অনুমোদনের চেষ্টা চালাই।
আরো পড়ুন: ‘শুক্রবার সারারাত ঘূর্ণিঝড়ের আওতায় থাকবে পুরো দেশ’
সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সার্বিক সহযোগীতায় ২০১৮ সালের ৭ আগস্ট একনেক সভায় স্থায়ী বাধের প্রকল্পটি পাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় উপজেলার নদী ভাঙন রক্ষায় স্থায়ী বাধ নির্মাণ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় উপজেলা বাসির পক্ষ থেকে সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে ধন্যবাদ জানান এমপি নিক্সন চৌধুরী।

তিনি বলেন, এখানকার জনগণ আমাকে ভালোবাসা দিয়েছে এবং ভোটে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছে। এই মানুষের অধিকার রক্ষা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা আমার ইমানী দায়িত্ব। আমি ২০১৪ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এই উপজেলায় ফেড়ি চালুর লক্ষে দুটি ফেড়ি, ইঞ্জিন ও পল্টন আনি যা একটি কুচক্রী মহলের অপতৎপরতায় বন্ধ রয়েছে। শিগগিরই চরভদ্রাসন উপজেলার গোপালপুর টু চর মইনুট ঘাটে ফেরি চালু করা হবে বলে উপস্থিত জনগণকে আস্বস্ত করেন এমপি নিক্সন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক (সার্বিক) রোকসানা রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূরবী গোলদার, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন মুসা, সদরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান কাজি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আজিজুল হক মাস্টার, মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আবুল কালাম মাস্টার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার আলী মোল্লা প্রমুখ।
