এটাকে নতুন নিরীক্ষা বলতে পারেন

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৩, ১৯:৫৩
মু খো মু খি সাম্প্রতিককালে দেশের বাইরে শিল্পীদের অনেকেই নিজেকে পরিচিত করতে এবং আন্তর্জাতিক গণ্ডিতে প্রবেশের আকাঙ্ক্ষায় ছুটছেন দেশের বাইরে। সেই কাতারে থেকে এ দেশের প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার জুয়েল মোর্শেদ সম্প্রতি কলকাতা থেকে নিজের প্রথম সলো অ্যালবাম প্রকাশ করলেন। এ নিয়ে বিস্তারিত বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনকে। এই নতুন উদ্যোগের কারণ কী বলে মনে করেন? এটা আসলে আমার অনেকদিনের প্ল্যান। আর মিউজিকের তো কোনো গণ্ডি নেই। আমি মনে করি, নিজের মিউজিককে চ্যালেঞ্জ দিয়ে সারা বিম্বের মিউজিশিয়ানদের সাথে প্রতিযোগিতা করা উচিত। কলকাতায় অ্যালবাম রিলিজ, এফএমএ নিজের ইন্টারভিউ ওখানকার মিডিয়া কতটা সাপোর্ট দেয়? ভালো। বেশ সাড়া পেয়েছি। ‘একলা প্রথম’ নামের এই অ্যালবামটিতে আমার সাথে ছিলেন কলকাতার সোমলতা ও সোমচন্দা। এ ছাড়া সোমলতার সাথে আমার ডুয়েট গানের ভিডিও রিলিজ হয়েছে। অ্যালবাম লঞ্চিং অনুষ্ঠানে আমার আমন্ত্রণে ওখান ব্যান্ড তারকা সিধু হাজির হয়েছিলেন। খুবই সহযোগিতা পেয়েছি সবার কাছ থেকে। কিন্তু এভাবে সেখানকার বাজারে আপনি কতটা জায়গা করতে পারবেন বলে আপনি মনে করেন? সেখানে তো আপনি নিজেও অ্যালবাম প্রমোশনের কাজে থাকতে পারছেন না। না থাকতে পারলেও আমি এখন মাঝে মাঝে যাতায়াতের ভেতরেই থাকব। এরই মধ্যে কলকাতায় বেশ কিছু নাটকের ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজও করেছি। কিন্তু এটা কি তবে আপনি নিজের দেশের অডিও প্রকাশকদের প্রতি বিরক্ত হয়েই উদ্যোগ নিলেন? নয়তো কলকাতার ছোট বাজারে আপনি বাংলা গান নিয়ে কতদূর যেতে পারবেন বলে মনে করেন? নাকি ভবিষ্যতে হিন্দি গাইবারও পরিকল্পনা রয়েছে? এটা ভবিষ্যতই বলতে পারবে। তবে আমি এখানকার প্রডিউসারের প্রতি কোনো বিরক্তি নিয়ে নয়। এটা একটা নতুন পদক্ষেপ। আমাদের দুই বাংলা মিলিয়ে যেহেতু বড় একটা বাজার সেটাকেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেখানে নতুন গান তো মাত্র কয়েকটি। তবে কি কলকাতার অ্যালবামটি শুধুই ওখানকার জন্যই? হ্যাঁ এ অ্যালবামটি ওখানকার শ্রোতাদের জন্যই। নিজের ক্যারিয়ার ও গানের কাজের জন্য এটা নতুন নিরীক্ষা বলতে পারেন। একই সাথে বাংলাদেশি শিল্পী হিসেবেও প্রতিনিধিত্ব করছি বলতে পারেন।