আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের সভাপতি লিয়েন নেগরের কাছ থেকে অনেক কিছুই পাওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দু’টি হকি টার্ফ এবং মওলানা ভাসানি হকি স্টেডিয়ামের জন্য ফ্লাড লাইট।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে লিয়েন নেগরে ঢাকায় পৌঁছে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার এবং দুপুরে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি ও সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন। ওই সময়ে এদেশের হকির উন্নয়নে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তার কাছে তুলে ধরা দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো টার্ফ এবং ফ্লাড লাইট অনুদান হিসেবে পাওয়া। হকির বিশ্ব প্রধান টার্ফ দিতে রাজি হন। প্রথমে এজন্য এক কোটি বিশ লাখ টাকা চাওয়া হয়। কিন্তু বাংলাদেশের পক্ষ থেকে টার্ফ দু’টি বিনামূল্যে চাওয়া হলে লিয়েন নেগরে সরাসরি সম্মতি না দিলেও বলেছেন সেক্ষেত্রে টার্ফ ঢাকায় আনার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।
হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমত উল্লাহর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, ‘আমরা আশা করছি টার্ফ পাবো। হয়তো বহন করার খরচটা আমাদেরকে দিতে হবে। আর ফ্লাড লাইটও হয়ে যেতে পারে। একটা সম্ভাবনা আছে।’ ফেডারেশন সভাপতির সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হলে টার্ফ, ফ্লাড লাইট, পুরো জাতীয় হকি দলকে ইউরোপে খেলার সুযোগ করে দেয়া, বন্ধ থাকা কিছু পুরনো আর্থিক অনুদানসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার বিষয়গুলো চূড়ান্ত হবে।’
রহমত উল্লাহ আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের সভাপতিকে জানিয়েছেন ফ্লাডলাইট না থাকায় তার ফেডারেশন ‘এ’ গ্রেডের টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারছে না। ফ্ল্যাডলাইট হলে এশিয়া কাপ হকির আয়োজন করতে পারবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের হকির চল্লিশ বছর উপলক্ষে আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের সভাপতি লিয়েন নেগরেকে আমন্ত্রণ জানালে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় আসেন। আগামীকাল শনিবার দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান হবে, সকালের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশনের সভাপতি লিয়েন নেগরে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
