স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড স্কুল দাবা শুরু কাল

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:০১
আজ থেকেই স্কুল দাবা শুরু হওয়ার কথা ছিল কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আগামীকাল বিকাল তিনটায় ক্রীড়া পরিষদে বসছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড স্কুল দাবার ১৩তম আসর। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক চাইলেই স্কুল দাবা হয়। টানা দুটি বছর স্কুল দাবা থেকে দূরে ছিল এই প্রতিষ্ঠানটি। তত্কালীন সময়ের এডহক কমিটির অনেক অনিয়ম বিশৃংখলা তাদের চোখে পড়েছিল। যে কারণে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানটি ক্ষুদে দাবাড়ুদের প্রতি আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও এগিয়ে আসতে পারেনি। ফেডারেশনের এখনকার কর্মকাণ্ডও পর্যবেক্ষণ করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। স্কুল দাবা নিয়ে সব কিছু আলোচনা করে অর্থের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের প্রতিভাবান দাবাড়ু খুঁজে বের করতে এমন একটি আয়োজনের পাশে থেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে তারা। এর জন্য ব্যাংকটি দাবার কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা দেখতে চায়। ক্ষুদে দাবাড়ুরা আসুক প্রাণের উচ্ছ্বলতা নিয়ে দাবা বোর্ডে চাল দেবে এমনটাই প্রত্যাশা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের। কর্মকর্তাদের রেশারেশিতে যেন কোনো খেলা মুখথুবড়ে না পড়ে, সেটাই চায় দাবার সব সময়ের সঙ্গি এই প্রতিষ্ঠান। স্কুল দাবা উপলক্ষে গতকাল বিকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের টাওয়ারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের হেড অব করপোরেট বিটপী দাস চৌধুরী আগামী দিনের দাবাড়ুদের জন্য একটা সুসংবাদের ইঙ্গিত দিয়ে গেছেন। বাংলাদেশে গড়ে উঠতে পারে দাবা একাডেমি। ‘এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। আলোচনা চলছে, বললেন বিটপী দাস। তিনি বললেন, দাবায় পরিবেশ থাকবে, স্বচ্ছতা থাকবে। কমিটমেন্ট রক্ষা করতে হবে। কমিটমেন্ট নিয়ে আগে যা ঘটেছে আশাকরি সেটা আর হবে না।’ স্কুল দাবায় ভারত ও নেপালসহ প্রায় দুই শতাধিক দাবাড়ু অংশগ্রহণ করছে। থাকছে একলাখ টাকার পুরস্কার। ঢাকার পর বিভাগীয় শহরগুলোতে হবে এই টুর্নামেন্ট। সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ফেডারেশনের সহ সভাপতি কেএম শহিদউল্ল্যা, সাধারণ সম্পাদক গাজী সাইফুল তারেক, সদস্য হারুনুর রশিদ সহ অন্যরা।