বরিশালে অপমান সইতে না পেরে শিক্ষকের আত্মহত্যা

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:০৭
নগরীর ৩নং ওয়ার্ডে পিতৃহারা দু’ভ্রাতুষ্পুত্রকে পিতৃস্নেহে সাবলম্বী করার পর তাদেরই অপমানের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন স্কুল শিক্ষক মোজাম্মেল হক। গাউয়াসার সড়কের বাসিন্দা প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক মুন্সি ওরফে মোজাম্মেল মাস্টারের আত্মহত্যার পর কাউনিয়া থানা পুলিশ তার দাম্পত্য কলহের কথা জানালেও পরবর্তীতে সত্য বেড়িয়ে এসেছে। আত্মহত্যার পূর্বে প্রধান শিক্ষক তার মৃত্যুর জন্য ভাইয়ের ছেলে মাহাবুব ও মাহাতাবকে দায়ী করে চিরকুট লিখে গেছেন। মোজাম্মেল হকের পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২৯ জানুয়ারি মোজাম্মেল হকের জমি জোরপূর্বক দখল করে ভাইয়ের ছেলে মাহাবুব ও মাহাতাব। এ বিষয়ে মোজাম্মেল জানতে চাইলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে হত্যার হুমকি দেয়। এ অপমান সহ্য করতে না পেরে বাসায় ফিরে রাতেই চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঐ রাতে মোজাম্মেলের স্ত্রী ও সন্তানরা বাসায় ছিলেন না। এ সুযোগে ভ্রাতুষ্পুত্রদ্বয় ও কাউনিয়া থানা পুলিশ দাম্পত্য কলহের কারণে প্রধান শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন বলে সাংবাদিকদের তথ্য দেয়। তার স্ত্রী ও সন্তান ফিরে আসার পর ঐ চিরকুট উদ্ধারের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের কাছে জানতে পারেন কি কারণে মোজাম্মেল হক আত্মহত্যা করেছেন। তারা পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগ এনে মাহাবুব ও মাহাতাবের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে রবিবার ইত্তেফাককে জানান। লাশ উদ্ধারকারী কাউনিয়া থানার এসআই প্রদীপ জানান, লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এখন পর্যন্ত তিনি পাননি। রিপোর্ট পেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।