সৈয়দপুরে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:১৩
সৈয়দপুর পৌরসভার এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বাহিনী লালন, রেলওয়ের জমি দখল, খুন ও নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পুত্র উর্দুভাষী পরিবারের সন্তান ইকবাল হোসেন গুড্ডু শৈশব থেকেই মাদক সেবন ও ছিঁচকে চুরিতে সিদ্ধহস্ত হয়ে ওঠেন। পরে তিনি এলাকায় এক সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন। এভাবেই একসময় অঢেল বিত্ত-বৈভবের মালিক বনে যান গুড্ডু। জানা যায়, ১৯৯৮ সালে গুড্ডুর টর্চার সেলে নিয়ে আইয়ুব নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে তার বাহিনী। এ ব্যাপারে মামলা হলে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে এলাকায় ফিরে আসে তারা। এ ঘটনার দু’বছর পর শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল গফ্ফারের পুত্র সাজিদ হোসেন মংরু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যেও গুড্ডু ও তার বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার কথা শোনা যায়। এছাড়া গুড্ডু ভয়ভীতি দেখিয়ে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ৫টি বিয়ে করলেও একে একে সবাই তাকে ত্যাগ করেছে বলে জানা গেছে। এদিকে কাউন্সিলর গুড্ডুর রেলওয়ের জমি স্থাপনা দখলের ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ এলাকাবাসী গত বছরের আগস্ট মাসে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অভিযোগ প্রেরণ করে। এ ব্যাপারে রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী/ ইনচার্জ আবু ইউসুফ মোহাম্মদ শামীম বলেন, তদন্তে কাউন্সিলর গুড্ডুর বিরুদ্ধে রেলওয়ের ভূমি ও স্থাপনা জবর দখলের সত্যতা মিলেছে। কিন্তু লোকবল ও আইনি জটিলতার কারণে ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। রেলওয়ের ভূমি জবর দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কাউন্সিলর গুড্ডু বলেন, সৈয়দপুর শহরটি গড়ে ওঠেছে রেলওয়ের জমিতে। সেখানে আমি যদি সামান্য জমি ও কোয়ার্টার দখল করে থাকি তবে অন্যায় কি। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে বলেন, এক সময় আমার বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ ছিল তবে বর্তমানে আমি ভালো হয়ে গেছি।