মাত্র ২ বছর বয়সে নৃত্যের হাতেখড়ি। গুরু প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমদের চোখে ফাঁকিবাজ কিন্তু মেধাবী একটি মেয়ে। ছোট্ট মেয়েটি বড় হয়েছে। আজ বিনোদন জগতের প্রায় প্রতিটি শাখাতেই তার সরব বিচরণ।
বলছিলাম লাভা বিশ্বাস নন্দিনীর কথা। ইন্সপির্যাসন ইনস্টিটিউট অব ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি’তে ইন্টেরিওর আর্কিটেকচার বিষয়ে অনার্স করছে সে। নাটক, মডেলিং কিংবা নৃত্য সবকিছুতেই সমান পারদর্শী নন্দিনী। সদ্যই ফিরেছেন চীনের বেইজিং এ অনুষ্ঠিত ২০ দেশের এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে। জানালেন নিজের ব্যস্ততা সম্পর্কে, ‘সারা বছরই মুনমুন আন্টির সাথে মঞ্চে নৃত্য করি। আর পাশাপাশি ম্যাগাজিন ও ফ্যাশন হাউজের জন্য মডেলিং করি।’
আর টেলিভিশনে? নন্দিনীর উত্তর- এটিএন বাংলায় আমার অভিনীত মেগাসিরিয়াল ‘আমাদের সংসার’ প্রচারিত হয়েছে, আর এখন চলছে ইটিভি’তে ‘ভোমরাদাহ কলেজ’ নামের ধারাবাহিক নাটক। কাজ করি অনেক বেছে বেছে। এছাড়া প্রায় প্রতি সপ্তাহে কোন না কোন টিভি চ্যানেলে নাচের অনুষ্ঠান তো থাকেই।
এই যে বছর জুড়ে এতো ব্যস্ততা, পড়াশুনা করছেন কিভাবে? মুখে দুষ্টুমির হাসি হেসে নন্দিনীর উত্তর-চাপকেও ফাঁকি দেই। কিন্তু তারপরই আবার সিরিয়াস ভঙ্গীতে বলে চললেন, ছোট বেলা থেকেই চাপকে উপভোগ করতে শিখেছি। আর এই যে উপভোগ করতে পারা, এর পেছনে অনেকখানি অবদান আমার বন্ধুদের। ওরা সব সময় আমাকে মানসিকভাবে সাহায্য করেছে।
এতো সব ব্যস্ততার মাঝেও নিজেকে এতো প্রাণচঞ্চল রাখার গোপন রহস্য কি? নন্দিনী হাসির আভা ছড়িয়ে জবাব দিলেন, ‘কোন রহস্য নেই, আমার পরিবার আর শিক্ষকেরা আমাকে সব সময়ই এতো সাপোর্ট দিয়েছে যে, আমি আসলে কখনো ব্যস্ততাকে চাপ মনে করিনি। যে কাজই করি না কেন ভালবেসে করি।
ভবিষ্যেত কোথায় দেখতে চান নিজেকে? নন্দিনী যেন স্মৃতির নন্দনকানন থেকে ঘুরে এসে উত্তর দিলেন, আমি খুব ভালো মানুষ, ইন্টেরিওর আর খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পী হতে চাই।
