সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

চার রত্নের গল্প

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৮:৫৮
চারদিকে বেশ থমথমে ঠাণ্ডা। অন্যান্য দিনের মতো দাপ্তরিক কাজ শেষ। বিকালের কমলা রঙের মৃদুরোদে একটু তাপ নিতে দাঁড়াই সামনের বারান্দায়। বারান্দাটা সরু খালের মতো লম্বা। সামনে বাগানবিলাস রোদের সাথে খেলা করছে। রাস্তার ওপারে লেক পার হলেই পাহাড়ের বুকে ভিসি স্যারের বাংলো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। হঠাত্ শুনতে পেলাম নবনিযুক্ত শিক্ষকদের ডাক। তাঁরা ছিল মাত্র কদিন আগে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, এখন মানুষ গড়ার শিক্ষাগুরু। এরা হলেন— ডা: তিলক চন্দ্র নাথ (লেকচারার, প্যাথলজি এন্ড প্যারাসাইটোলজি), ডা: সাইফুল ইসলাম (লেকচারার, ফিজিওলজি এন্ড ফার্মাকোলজি), ডা: নয়ন ভৌমিক (লেকচারার, জেনেটিক্স এন্ড এনিম্যাল ব্রিডিং) ও ডা: মোহাম্মদ রাশেদ চৌধুরী (লেকচারার, বায়োকেমেস্ট্রি এন্ড কেমেস্ট্রি)। আমার দপ্তর ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্স অনুষদ বিল্ডিং বিধায় তাঁদের সাথে প্রায়ই আমার দেখা হতো। সব সময় দেখতাম প্রেজেন্টেশন, এসাইনমেন্ট, থিসিস নিয়ে ব্যস্ত। কৃষিশিক্ষার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ সিকৃবি। এখানকার আনন্দঘন নৈস্বর্গিকতা যেমন শিক্ষার্থীদের মুগ্ধ করে তেমনি শিক্ষার্থীরা পায় সময় উপযোগী শিক্ষার পরিবেশ। এখানকার শিক্ষার্থীরা ক্লাস, প্রাক্টিক্যাল, টিউটোরিয়াল, ক্লাসটেস্ট, প্রেজেন্টেশন, এসাইনমেন্টের মাঝেই স্বপ্ন দেখে নিজেদের জীবন গঠনে বিকশিত হবার। এই শিক্ষাযুদ্ধে বিজয়ী হলেন এ চার রত্ন, যাঁরা তাঁদের মেধা-মননে অতুলনীয়। এ চার রত্ন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রফেসর ডা: মোঃ জামাল উদ্দিন ভূঞা (চেয়ারম্যান, প্যাথলজি এন্ড প্যারাসাইটোলজি) বলেন, ‘ছাত্র থেকে তাঁরা শিক্ষক হবার গৌরব অর্জন করেছে। তাঁদের মেধা, শ্রম, মননশীলতা তাঁদের এ গৌরব এনে দিয়েছে। আমি আশা করি, তাঁরা কৃষিশিক্ষা সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তাঁদের ঐকান্তিক গবেষণার মাধ্যমে প্রাণীর নতুন জাত উদ্ভাবন, নানা রোগের প্রতিষেধকসহ প্রানিসম্পদ উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে, যা থেকে লাভবান হবে বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশ।’