বিদ্যুতের পাঁচ প্রকল্পসহ ১১টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এসব প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা। আর বিদ্যুতের ৫টি প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা। এসব প্রকল্প বাস্ততবায়নে জাইকা, এডিবি, আইডিবি ও ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক-এর কাছ থেকে চার হাজার ২৩৩ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। বাকী এক হাজার ৬৫ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে যোগান দেওয়া হবে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) গতকাল এসব প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনা ।
বিদ্যুতের প্রকল্প ছাড়াও আরো ছয় প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিসিক শিল্প পার্ক সিরাজগঞ্জ প্রকল্পও রয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৯০ কোটি টাকা।
সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব ভূইয়া শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সভায় অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় মধ্যে দুই হাজার ২২৬ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে এবং অবশিষ্ট চার হাজার ২৩৩ কোটি যোগান দেওয়া হবে প্রকল্প সাহায্য থেকে ।
অনুমোদন পাওয়া বিদ্যুত্ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে খুলনা ১৫০ মেগাওয়াট পিকিং বিদ্যুত্ কেন্দ্রকে ২২৫ মেগাওয়াটে উন্নতীকরণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ ২ গুণ ৩৫ মেগাওয়াট টারবাইন বিদ্যুত্ কেন্দ্রকে ১০৫ মেগাওয়াট কম্বাবাইন্ড বিদ্যুত্ কেন্দ্রে রূপান্তর প্রকল্প, সিলেট ১৫০ মেগাওয়াট টারবাইন বিদ্যুত্ কেন্দ্রকে ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ কেন্দ্রে রুপান্তর প্রকল্প। সঞ্চালন লাইনের প্রকল্প দুটি হলো পূর্বাঞ্চালে ১৩২ কিলো ভোল্ট নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্প এবং জাতীয় বিদ্যুত্ ট্র্যান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্প।
এছাড়াও গতকাল অনুমোদন পাওয়া অন্য প্রকল্প গুলো হলো - হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ প্রকল্প , পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কোমরপুর হতে ঝাউদিয়া এভং নাটোর জেলার তিলকপুর-গৌরীপুর পর্যন্ত পদ্মা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প, কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার বৈরাগীর হাট ও চিলমারী বন্দর ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীরের ভাঙ্গল হতে রক্ষা প্রকল্প ও বিসিক শিল্প পার্ক সিরাজগঞ্জ প্রকল্প।
