নালিতাবাড়ীতে বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:২৪
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় এবার ইরি-বোরো মৌসুমের শুরুতেই ভয়াবহ বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে পিছিয়ে পড়েছে বোরো রোপণ। ফলে বিদ্যুত্চালিত সেচ পাম্পের আওতায় কৃষকদের বোরো আবাদ বন্ধ রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় এবার বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৫২ হাজার একর। এর মধ্যে পিডিবি এবং পল্লী বিদ্যুতের সেচের আওতায় রয়েছে প্রায় ১৩ হাজার৯শ’একর। বিদ্যুত্চালিত গভীর সেচের সংখ্যা ১২৭টি, অগভীর সেচের সংখ্যা ৪৯১টি আর এলএলপি পাম্প ও সাবমার্চসহ মোট সেচের সংখ্যা ৭০৪টি। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৬ জানুয়ারি থেকে অব্যাহত লোডশেডিংয়ের কারণে দিশাহারা হয়ে পড়েছে সেচ চালিত বোরো চাষিরা। রানীগাঁও গ্রামের মো. আশরাফউজ্জামান (৬২) জানান, প্রতিদিন দুপুরে ও রাতে যে সামান্য পরিমাণ সময় বিদ্যুত্ সরবারাহ করা হয়, সে সময়ও,লো-ভোল্টেজ থাকে।। এছাড়া, টানা ১৫/২০ মিনিটের বেশি সময় বিদ্যুত্ দেয়া হয় না। যে সময়টুকু বিদ্যুত্ থাকে সে সময়ের মধ্যে সেচচালিত মোটর চলাতো দূরের কথা, বাল্বও জ্বলে না। উপজেলা বিদ্যুত্ অফিস সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর জেলা শহরের ৩৩/১১ কেভি বিদ্যুত্ উপকেন্দ্রের ট্রান্সফরমারের ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী ট্রান্সফমার বসানোর কাজ চলছে। এমন অবস্থায় একটি মাত্র ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে উপজেলা শহরগুলোতে বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হচ্ছে। তার উপর গ্রিট সুইচও ভেঙ্গে গেছে। তাই সমস্যা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান,বিদ্যুতের লোডশেডিং হওয়ার কারণে সেচ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এভাবে লোডশেডিং চলতে থাকলে বোরো চাষাবাদে এলাকার কৃষক পিছিয়ে পড়বে।