মতলব দক্ষিণ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামীম আহমেদ কর্তৃক একই উপজেলার ১৪৯ নং দক্ষিণ পয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফখরুল ইসলামসহ একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষিকা লাঞ্ছিত হয়েছেন। যার ফলে উপজেলায় কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে উপজেলা শিক্ষা অফিস কার্যালয়ে ১৪৯ নং দক্ষিণ পয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফখরুল ইসলাম মাস্টার্স (প্রাইভেট) পরীক্ষা দেয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে অনুমতির জন্য গেলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে তাকে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দেন। এ সময় উপজেলা ও জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা এবং মতলব মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নূরুন নাহার আক্তার বকুলও অনুমতির জন্য গেলে তাকেও অকথ্য ভাষায় গালমান্দ করেন। একপর্যায়ে তিনি অফিস কক্ষেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। ঘটনাটি মতলব দক্ষিণ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জেসমিন সুলতানাকে অবহিত করলে তিনি তাত্ক্ষণিক ঘটনাস্থলে এসে অবগত হন এবং বিষয়টি জানেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শামীম আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জেসমিন সুলতানা জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শামীম আহমেদ প্রায় সময়ই শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক ও অসদাচরণ করে থাকেন। এছাড়াও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে- শিক্ষকদের টাইম স্কেল, ছুটি, বেতন থেকে অতিরিক্ত উেকাচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। এহেন কর্মকাণ্ডের জন্য শামীম আহমেদকে কুমিল্লার মুরাদ নগর থেকে শাস্তিমূলক বদলি দিয়ে মতলব উত্তর উপজেলায় পাঠানো হয়। সেখানেও তিনি তার হীন আচরণের কারণে ১৭ কর্ম দিবসের পরেই মতলব দক্ষিণ উপজেলায় বদলি হতে হয়।
