মোহামেডানের বিরুদ্ধে শেখ জামালের ম্যাচটা শেষ হওয়ার সাথে সাথে আনন্দে মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন দলটির নাইজেরিয়ান কোচ জোসেফ আফুসি। মাঠ থেকে বেরিয়ে আসা খেলোয়াড়দের আনন্দে জড়িয়েও ধরছিলেন তিনি। আফুসির এ আনন্দের কারণ শেখ জামাল যে ১-০ গোলে মোহামেডানকে হারিয়ে দারুন একটা জয় তুলে নিয়েছে কাল। আর জয়ের নায়ক নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার সানডে চিজোবা।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে কাল দুই দলই ভালো ম্যাচ উপহার দিয়েছে। কিন্তু গোলের দেখা পেয়েছে শেখ জামাল। এ নিয়ে টানা হারের বিস্বাদ নিলো মোহামেডান। আগের ম্যাচে ব্রাদার্সের কাছে (১-৪) হেরে বিধ্বস্ত হওয়ার পর গতকাল শেখ জামালের বিরুদ্ধে ভালোই খেলছিল সাদাকালোরা। কিন্তু ভাগ্য তাদের পক্ষে ছিল না। নইলে কালকের ম্যাচে মোহামেডানও জেতার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু সব কয়টি সুযোগ ভেস্তে দেন শেখ জামালের গোলকিপার সুলতান আহমেদ শাকিল। মোহামেডানের ঘানাইয়ান ফুটবলার ওসে মরিসন আট গোল করে শীর্ষে রয়েছেন। কিন্তু এই স্টাইকার কাল শেখ জামালের বিরুদ্ধে ব্যর্থ হয়েছেন।
শেখ জামালও ভালো খেলেছে। সানডে মোহামেডানের রজনীকে কাটিয়ে ক্রস ফেললে বল বারের উপরে পড়ে গোল লাইনের সামনে আসার সাথেই হেড করেন শাকিল। কিন্তু গোল করতে পারেননি মোহামেডানের গোলকিপার মামুন খান ধরে ফেলার কারনে। ৫৫ মিনিটে পাল্টা আক্রমনে শেখ জামালের ডিফেন্ডার ইয়ামিন মুন্নার লম্বা ক্রসের বল পেয়ে মোহামেডানের এগিয়ে আসা গোলকিপার মামুন খানের মাথার উপর দিয়ে বল জালে ফেলেন ১-০।
শেষ দিকে মোহামেডান গোলকিপার মামুন খানও শেখ জামালের ছোট বক্সে গিয়েছিলেন গোল শোধ করার জন্য। কিন্তু সেটা হয়নি। মেজবাউল মানিকের শট জামালের ক্রস পিসে
লেগে ফিরে আসে। মৌসুমের প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমেছিলেন শেখ জামালের আরিফুল ইসলাম। তখন ইনজুরি টাইম চলছিল। ডিফেন্ডার আরিফ খেললেন আক্রমনে। মোহামেডানের গোলকিপার মামুন খান শেখ জামালের পোষ্ট থেকে নিজের পোষ্টে ফিরে আসার আগেই বল পেলেন আরিফ । কিন্তু ফাঁকা পোষ্টের বাইরে চলে গেল তার শট।
শেখ জামালের ১০ খেলায় ২২ এবং সমান ম্যাচে মোহামেডানের পয়েন্ট ১৩। আজ ও কাল পেশাদার লিগের খেলা নেই। শুক্রবার বিজেএমসি ও সকার ক্লাব এবং আবাহনী ব্রাদার্স।
