অর্পিত সম্পত্তির ‘ক’ ও ‘খ’ তফসিল প্রকাশের দাবি

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৫৭
অর্পিত সম্পত্তির ‘ক’ ও ‘খ’ তালিকার গেজেট এখনো বহু উপজেলায় প্রকাশ করা হয়নি। ফলে জনগণের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। আবার অনেক উপজেলায় তা প্রকাশ করা হলেও পাওয়া যাচ্ছে না। এই অবস্থা বিবেচনা করে অর্পিত সম্পত্তির উভয় তফসিলের সম্পত্তি প্রত্যর্পণের জন্য আবেদন দাখিলের সময়সীমা আরো ১৮০ দিন বাড়ানো এবং অবিলম্বে এই আইন সংশোধনের দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার কর্মীরা। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ৯টি সংগঠন সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানিয়েছে। বলা হয় ‘ক’ ও ‘খ’ তফসিলের গেজেট অসংখ্য ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে ভরা। এটা ভূমি প্রশাসনের অনিচ্ছাকৃত না কিছু মতলববাজ দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাদের কারসাজির ফল, তা সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সরকার ‘ক’ ও ‘খ’ তফসিলের গেজেট সম্পন্ন করতে না পারায় দুইদফায় গেজেট প্রকাশের সময়সীমা বাড়াতে হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তারপরেও ‘ক’ তফসিলের গেজেট প্রকাশ করা হলেও ‘খ’ তফসিলের গেজেট বহু উপজেলায় এখনো প্রকাশ করা হয়নি কিংবা পাওয়াই যাচ্ছে না । অথচ আইনে বলা হয়েছে, গেজেট প্রকাশের তিনশ’ দিনের মধ্যে ভুক্তভোগীকে জেলা কমিটি কিংবা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে হবে। বিজি প্রেস থেকেও ‘খ’ তালিকার কোনো কপি সরবরাহ করা হচ্ছে না। তাই জনগণের ভোগান্তি লাঘবে গেজেট প্রকাশের সময়সীমা না বাড়িয়ে ভুক্তভোগীদের ট্রাইব্যুনাল কিংবা জেলা কমিটিতে আবেদন দাখিল করার সময়সীমা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। অন্যথায় ন্যয়বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবেন সাধারণ মানুষ। সম্মেলনে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বেশ কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরেন। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. রাণা দাশগুপ্তের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলন আয়োজনকারী সংগঠনগুলোর পক্ষে লিখিত বিবৃতি পাঠ করেন এএলআরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।