ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলে প্রচণ্ড ঝড় বইতে শুরু করেছে। শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টায় আকাশ কালো হয়ে ঝড় বইতে শুরু করে। এ সময় রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যায়।
ভোলার চরফ্যাশনের চরপাতিলা ও ঢালচরের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। স্বাভাবিকের চেয়ে দেড় থেকে দুই ফুট পানি উঠায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনিতে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও হালকা হাওয়া। নদীতে দেখ দিয়েছে উত্তাল ঢেউ। কুয়াকাটায় বাতাসের বেগ ক্রমেই বাড়ছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আরও পড়ুন: ফণী খুলনা-রাজশাহী অঞ্চলের উপর দিয়ে অতিক্রম করবে
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হেনে ভারতের ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করে অগ্রসর হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের দিকে। এরপর ফণী দুর্বল হয়ে ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে খুলনা অঞ্চলে আঘাত হেনে যশোর,সাতক্ষীরা,রাজশাহী,বগুড়া ও রংপুরের কিছু অঞ্চলের উপর দিয়ে অতিক্রম করবে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ পুরো বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়ের আওতায় থাকবে, এই সময়টা ক্রিটিক্যাল।
তিনি বলেন, উচ্চগতির বাতাস ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সময় সবাইকে নিরাপদে থাকতে হবে। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সারা রাত বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে।
ইত্তেফাক/এমআরএম
