১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রথম ইরানি প্রেসিডেন্ট হিসাবে মঙ্গলবার এক সফরে মিশরে পৌঁছেছেন মাহমুদ আহমাদিনেজাদ। কায়রো বিমানবন্দরে নামার পর মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি তাকে অভিনন্দন জানান। আহমাদিনেজাদকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন বিমানবন্দরে উপস্থিত নেতারা। এ সময় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে হাসিমুখে করমর্দন করেন তিনি। সফরকালে বুধবার অনুষ্ঠেয় ইসলামিক সম্মেলনে যোগ দেয়া ছাড়াও মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে আহমাদিনেজাদের। মিশরে হোসনি মুবারকের শাসনকালে ইরানের প্রেসিডেন্টের এ ধরনের সফর ছিল অচিন্তনীয়। সামরিক বাহিনী সমর্থিত একনায়ক মুবারক ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি রক্ষা করে চলেছেন এবং কায়রোর সঙ্গে পশ্চিমের গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু গত বছর জুনে মিশরে ইসলামপন্থি রাষ্ট্রপ্রধান মোহাম্মদ মুরসি নির্বাচিত হওয়ার পর দেশটির সঙ্গে ইরানের সম্পর্কোন্নতি ঘটছে। আহমাদিনেজাদের এ সফরে সে লক্ষণই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মিশরে আহমাদিনেজাদকে
জুতা লক্ষ্য করে জুতা
নিক্ষেপ
ইরান সফররত মিসরের প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ করেছে এক ব্যক্তি। মিসরের রাজধানী কায়রোয় একটি মসজিদ পরিদর্শনের সময় আহমাদিনেজাদের দিকে জুতা ছুড়ে তাকে আঘাত করার চেষ্টা চালায় এক ব্যক্তি। এ সময় নিরাপত্তা রক্ষীরা তাকে আটক করে। ভিডিওতে দেখা গেছে, এক ব্যক্তি ‘কাপুরুষ’ বলে চীত্কার করে জুতা ছুড়ছে। তার উদ্দেশ্য কী ছিল সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়া সরকারের প্রতি ইরান সরকারের সমর্থনের প্রতিবাদেই এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার কায়রোর আল হুসেইন মসজিদ পরিদর্শন শেষে চলে যাওয়ার সময় ঘটে এ ঘটনা। এরপর আরো অনেকেই জুতা দেখায়। জুতা নিক্ষেপকারী সিরিয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
