দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার কামারশাল উপ-কারখানায় একটি নতুন ডিভাইস (যন্ত্র) উদ্ভাবন করা হয়েছে। কারখানার একজন মিস্ত্রি ওই ডিভাইসটি তৈরি করেন। এটির মাধ্যমে রেলকোচে ব্যবহূত সপ্রীং আলাদা করা সহজতর হয়েছে।
সূত্র জানায়, ইতোপূর্বে একটি সপ্রীং আলাদা (ডিসমেন্টলিং) করতে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা অতিবাহিত হতো এবং এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও ছিল। নতুন উদ্ভাবিত ডিভাইসটির মাধ্যমে একেকটি সপ্রীং আলাদা করতে মাত্র ২ মিনিট সময় ব্যয় হচ্ছে। ওই ডিভাইসটির মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ৫০টির বেশি সপ্রীং আলাদা করা যাচ্ছে। সূত্র মতে, একটি রেলকোচে (ক্যারেজ) ২৪টি ইলেকট্রিক সপ্রীং ব্যবহার হয়ে থাকে। বগির চাকার ওপর এবং ক্যারেজের নিচে এসব সপ্রীং স্থাপন করা হয়। সপ্রীংগুলো রেলপথে ট্রেন চলাচলের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে রেলযানটি স্বাভাবিকভাবে গন্তব্যে পাড়ি দিতে পারে। রেলওয়ে কারখানার কামারশাল শপের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারি প্রকৌশলী শাহজাহান আলী জানান, অতীতে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে ট্রেনের সপ্রীং আমদানি করা হতো। তবে আমরা সামপ্রতিক সময়ে ট্রেনের যাবতীয় সপ্রীং সৈয়দপুর রেল কারখানাতেই উত্পাদন ও মেরামত করছি। ডিভাইসটি আবিষ্কার করেন কামারশাল শপের প্রথম সারির মিস্ত্রি (গ্রেট ওয়ান) আবু তালেব মিয়া।
