বিশ্বনাথ বিএনপিতে ভাঙন

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৪৯
দীর্ঘদিন পরে হলেও নিখোঁজ বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য, নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম.ইলিয়াস আলীর নির্বাচনী আসনেও দলের নেতাকর্মীদের মাঝে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর বিএনপিতে এর আগে বিভেদ-বিভক্তি দেখা দিলেও ঐক্য ছিল ইলিয়াস আলীর নির্বাচনী এলাকা বিশ্বনাথে। কিন্তু ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবির ইস্যু নিয়ে বিশ্বনাথে বিএনপিতে প্রকাশ্যে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। তাঁর মুক্তির আন্দোলনের ইস্যু নিয়ে দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে দলটি। এছাড়া ইলিয়াস আলীর মুক্তির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগারও করছেন, তুলছেন নানা অভিযোগও। ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার কয়েক মাস পর আবদুল মুমিন মামুনকে আহবায়ক করে ‘ইলিয়াস মুক্তি যুব সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। কমিটি গঠনের পর ইলিয়াস আলীর সন্ধান চেয়ে পালন করা হয় নানা কর্মসূচি। কিন্তু এর কয়েক দিন পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালালউদ্দিন, নিজামউদ্দিনকে আহবায়ক করে পাল্টা কমিটি গঠন করেন। এরপর থেকেই বিভক্তির সূত্রপাত। বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচিও স্থানীয় নেতাকর্মীরা পালন করেন পৃথকভাবে। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই জানান, নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলীর মুক্তির আন্দোলন যখন ঝিমিয়ে পড়ছিল তখন আমাদের প্রাণের নেতার মুক্তির আন্দোলন আরো বেগবান করতে আবদুল মুমিন মামুনকে আহবায়ক করে ‘ইলিয়াস মুক্তি যুব সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করি। এ সংগঠনের ব্যানারে আমরা ইলিয়াস মুক্তির আন্দোলন আরো তীব্র করে তুলি। কিন্তু কিছুদিন পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালালউদ্দিন, নিজামউদ্দিন নামের একজনকে আহবায়ক করে পাল্টা কমিটি গঠন করেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালালউদ্দিন চেয়ারম্যান বলেছেন, তার বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ তুলছেন তারা দালাল। তারাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে চলে। ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বনানী থেকে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট জেলা সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. ইলিয়াস আলী তার গাড়িচালক আনছার আলীসহ নিখোঁজ হন।