চীনা পরিচালনায় পাকবন্দর ভারতের উদ্বেগ

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২০:২৫
পাকিস্তানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর পরিচালনার ভার চীনের হাতে চলে যাওয়ায় নয়াদিল্লি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন বলে বুধবার জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে এন্টনি। পাকিস্তান গতমাসে আরব সাগরের গদার বন্দরের ব্যবস্থাপনারভার সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানির কাছ থেকে চীনা কোম্পানির হাতে হস্তান্তর করেছে। গভীর এই সমুদ্রবন্দরটির অবস্থান করাচি থেকে প্রায় ৬শ’ কিলোমিটার দূরে এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ইরান সীমান্তের কাছে। বন্দরটির ব্যবস্থাপনা আগে সিঙ্গাপুরের পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির হাতে ছিল। গত সপ্তাহে এ দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে রাষ্ট্রপরিচালিত প্রতিষ্ঠান ‘চাইনিজ ওভারসিজ পোর্ট হোল্ডিংস’ এর কাছে। এ ব্যাপারে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে এন্টনির প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ব্যাঙ্গালোরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এক কথায়, এটি আমাদের জন্য উদ্বেগের ব্যাপার।’ চীন ভারত মহাসাগরের আশেপাশে এমনকি প্রতিবেশী পাকিস্তানেও প্রভাব বিস্তার করছে। আর সে কারণে চীনা কোম্পানির পরিচালনায় প্রতিবেশী দেশগুলোতে কৌশলগত কয়েকটি বন্দর গড়ে ওঠা নিয়ে অনেকদিন থেকেই উদ্বিগ্ন ভারতের নীতি নির্ধারকরা। আঞ্চলিক প্রভাব এবং সামরিক শক্তি বাড়ানো নিয়ে চীনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতাও চলছে ভারতের। এ পরিস্থিতিতে চীনের পরিচালনায় গদার বন্দর গড়ে উঠলে হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি অবস্থিত এ বন্দরটি হয়ে উঠবে তেল সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট। এতে করে পাকিস্তানজুড়ে উপসাগর অঞ্চল থেকে পশ্চিম চীন পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ এবং বাণিজ্যের পথ খুলে যাবে। আর এ পথে চীনের নৌবাহিনীর আনাগোনাও চলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।