‘মীরাক্কেল’খ্যাত তারকা ইশতিয়াক নাসের গত কয়েকদিন ধরেই নানা ধরনের হতাশায় ভুগছেন। আগমী ‘মীরাক্কেল’-এর নতুন রাউন্ডে তার মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও তিনি যেতে পারছেন না। এইসব প্রসঙ্গে নিয়েই কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিন-এর সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন সরলা সৈয়দ
কেমন আছেন?
খুবই খারাপ। চরম হতাশা নিয়ে বর্তমানে শাহবাগে বসে সমাবেশে অংশ নিতে এসেছি।
কেন এটা কী বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির হতাশা। নাকি একান্ত ব্যক্তিগত?
না হতাশাটা একান্ত ব্যক্তিগত। আর সামগ্রিক হতাশাতো রয়েছেই।
ব্যক্তিগত হতাশাটা কেমন?
দেখুন আমরা গত বছরের ‘মীরাক্কেল’-এ ভালো পারফর্ম করেছি, ঠিকই। কিন্তু আমাদের এ বছর ‘মীরাক্কেল’-এই মূলত নিজেদের মুন্সিয়ানা দেখানোর সর্বোচ্চ সুযোগ ছিল। কিন্তু ভারতীয় হাইকমিশন থেকে আমাকে নাকি ব্ল্যাক লিস্ট করা হয়েছে। তাই সব কিছু কনফার্ম করেও আমি যেতে পারছি না। এর চেয়ে কষ্টের কী হতে পারে।
কিন্তু আপনাকে ব্ল্যাকলিস্ট করার কারণ কী?
সেটা তো আমারও প্রশ্ন। আমি প্রথমে সব কাগজপত্র দিয়েছি। আমাকে কয়েকদিন পর একটা ফর্ম এ কালো চিহ্ন এঁকে দেওয়া হয়েছে। পরে আমি আবারও আমার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে নতুন পাসপোর্ট করার পর ট্রাভেল এজেন্সিতে গেলে ওরা আমার কাগজপত্র দেখে বলল, আমাকে নাকি ব্ল্যাক লিস্ট করা হয়েছে। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম।
কিন্তু এইসব ঘটনা বা সমস্যার কথা আপনি মীর বা ‘মীরাক্কেল’-এর টিমকে জানিয়েছেন?
জানানো হয়েছে। ‘মীরাক্কেল’-এর সবার কাছেই আমি জানিয়েছি। তারা সেখান থেকে একটা নো অবজেকশন লেটারও দিয়েছে। সুপারিশও করেছে। এখন সব কিছুই নির্ভর করছে আমাদের ইন্ডিয়ান অ্যাম্বাসির ওপর। আমার কথা হলো ওদের শিল্পীরা যখন তখন এসে আমাদের এখানে শো থেকে শুরু করে মার্কেট উদ্বোধন করে লাখ লাখ টাকা নিয়ে যাবে কিন্তু আমাদের ওখানে একটা কাজে গেলেও ওখানে যেতে পারব না। ওরা এখানে আসতে পারবে, কিন্তু আমরা যেতে পারব না, এ কেমন নিয়ম! এর চেয়ে হতাশার আর কী হতে পারে। কিছুদিন আগে নাকি শুনলাম বাংলাদেশিদের ভারতীয় ভিসা দেওয়ার ব্যাপারে শিথিল করা হয়েছে। কিন্তু আমার বেলায় এমন শাস্তি কেন?
এ দেশের ব্যস্ততা কেমন?
ব্যস্ততার কথা কী বলব। ঢাকা এফএম-এ একটি বিশেষ শো করতাম। দুটি টিভিতে আমার নিয়মিত কাজ চলছিল। কিন্তু ‘মীরাক্কেল-এর দীর্ঘমেয়াদে যোগ দেব বলে আগে থেকেই সব কাজ বাতিল করেছি। এখন সেই কাজেও এই বাধা পেয়ে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছি।
