আবাহনী ব্রাদার্সের উপভোগ্য লড়াই শেষ হলো ড্রয়ে

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৪৫
আরেকটা উপভোগ্য ম্যাচ দেখেছেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আসা কয়েক হাজার ফুটবল দর্শক। আবাহনী ব্রাদার্সের মধ্যে দারুণ লড়াই হয়েছে কাল। নব্বই মিনিটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে আবাহনী ও ব্রাদার্স ১-১ গোলে ড্র করে। আবাহনী ম্যাচের ৬ মিনিটে নাইজেরিয়ান লাকিপলের গোলে এগিয়ে ছিল। ব্রাদার্সের দুই ডিফেন্ডারের ভুল বুঝাবুঝির সুযোগে লাকিপল গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ১-০। ম্যাচের ২৪ মিনিটেই নাইজেরিয়ান এডাম জাঙ্গাকাসার গোলে সমতা আনে ব্রাদার্স ১-১। এই ড্রয়ে শিরোপা ধরে রাখার ক্ষেত্রে হোঁচট খেলো আবাহনী। অপরদিকে রেলিগেশনের বিপদ ক্রমেই কাটিয়ে উঠছে ব্রাদার্স। উভয় দল গোল করার জন্য আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে খেলে। ব্রাদার্সের খেলা দেখে বুঝার উপায় ছিল না এই ব্রাদার্স লিগে টানা ছয় ম্যাচ হেরেছিল। এখন তারা টানা পাঁচ ম্যাচে হারেনি। একই খেলোয়াড়দের নিয়ে ব্রাদার্সের অগ্নিমূর্তি দেখল ফুটবল দর্শক। হঠাত্ জ্বলে উঠল ব্রাদার্স। সামনে যাকে পাচ্ছে পয়েন্ট কেড়ে নিচ্ছে। গতকালের ড্রয়ে আবাহনী ১১ খেলায় ২৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকল। আর ১১ ম্যাচে ব্রাদার্স ৯ পয়েন্ট পেয়েছে। শেষ পাঁচ ম্যাচে দুই জয়, তিন ড্রয়ে নয় পয়েন্ট পেল ব্রাদার্স। ব্রাদার্সের গোলকিপার পিরু দারুণ একটা ম্যাচ উপহার দিয়েছেন কাল। আবাহনীর জন্য বড় বাধা ছিলেন তিনি। অনেক সুযোগ নষ্ট করে দিয়েছেন। ম্যাচের শেষদিকে আবাহনী দুইবার নিশ্চিত গোলের সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেনি। গোললাইনের সামনে থেকে আবাহনীর লাকিপল শট করার মুহূর্তে তার পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে ব্রাদার্সকে বাঁচিয়েছেন খান শরিফ। ম্যাচের ইনজুরি টাইমের বাঁশি বাজবে আর এমন সময় আবাহনীর পাল্টা আক্রমণ। গোলপোস্ট এড়িয়ে আসলে মাথার ওপর দিয়ে বল গোলপোস্টে শট করেন লাকিপল। গোললাইন পার হওয়ার মুহূর্তে আবার সেই খান শরিফ দৌড়ে গিয়ে বল বাইরে মেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে খেলা শেষ হয়। মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন আবাহনীর ফুটবলাররা। শেখ রাসেল আজ মোহামেডানকে এবং পরবর্তী ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধাকে হারালে ৬ পয়েন্ট উপরে উঠে যাবে। শিরোপা জয়ের পথে এগিয়ে যাবে।