জলবায়ু তহবিল ব্যবস্থাপনা ও বরাদ্দ দেয়ার ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যই ভেস্তে যেতে পারে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের ভুক্তভোগী দরিদ্র জনগোষ্ঠী, নাগরিক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষকে সম্পৃক্ত করে যৌথ মনিটরিং ও সুপারভিশন পদ্ধতি চালু হলে এ তহবিলের ব্যবহার ও বরাদ্দ দেয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব বড় অবদান রাখতে পারে। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ, বাংলাদেশ (এনসিসিবি) আয়োজিত জলবায়ু বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জলবায়ু সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আহসান উদ্দিন এবং এনসিসিবির মো. শামছুদ্দোহা এবং মিজানুর রহমান বিজয়। বক্তারা বলেন, কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্টের প্রকল্প প্রস্তাবনা উন্নয়ন ও অনুমোদনে বিশ্বব্যাংকের নিয়ন্ত্রক ভূমিকা এই তহবিলের স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রশ্ন জন্ম নিয়েছে। বিশেষ করে উচ্চ সার্ভিস চার্জ এবং আমলাতান্ত্রিকতার জটিলতায় ধীরগতিতে প্রকল্প ছাড় করার জন্যও সমালোচনা হয়েছে। এছাড়া জলবায়ু সংক্রান্ত অন্য প্রকল্পগুলোও বিভিন্ন কারণে প্রশ্নের মুখে পড়ছে। এ অবস্থায় জলবায়ু সংক্রান্ত তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে যৌথ কমিটি ব্যাপক কাজে আসতে পারে। বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণের সকল উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করছে। ভবিষ্যতে এ প্রবণতা বাড়তে থাকবে। তাই এসব তহবিল ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
