শেষ ওভারে রংপুর রাইডার্সের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৬ রানের। বল হাতে অভিজ্ঞ রুবেল হোসেন। কিন্তু কাল মাঠে অভিজ্ঞতা কাজে লাগেনি জাতীয় দলের এই পেসারের। কেননা তার ওভারটিতে ডেনজা হায়াত ও কেভিন ও ব্রেইন ১৬ রান নিয়ে চিটাগাং কিংসের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটের জয় এনে দেন রাইডার্সকে।
চিটাগাং কিংস গতকাল শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রংপুরকে ১৬০ রানে আটকে দিলেও শেষ পর্যন্ত রুবেলের ওই ওভারের জন্য খেসারত দেয়। এই হারের জন্য অবশ্য রুবেলকে দায়ি করেননি চিটাগাংয়ের অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেইলর। তিনি বলেন, ‘রুবেল অভিজ্ঞ বোলার। ওর প্রতি আমাদের বিশ্বাস আছে। আমরা যদি ফের এ ধরনের অবস্থায় পড়ি, তখনো রুবেলকে দিয়ে বলা করাবো। আজ (কাল) হয়তো ফিল্ডিং খারাপ হয়েছে বলে আমরা হেরেছি তাই বলে ভবিষ্যতে ফিল্ডিং তো খারাপ হবেনা’।
শেষ পাঁচ ওভারে রংপুরের প্রয়োজন ছিল ৪৯ রানের। কঠিন লক্ষ্য হলেও আট বলে ২০ রান তুলে কাজটি সহজ করে দেন ম্যাচ সেরা হায়াত। ইমরুল কায়েস ও ক্যামেরুন বর্গাস তৃতীয় উইকেটে ৯৬ রানের পার্টনারশীপ গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছেন বটে, কিন্তু এই দুই ব্যাটসম্যান এক রানের ব্যবধানে ফিরে যাওয়ার পর পরাজয়ের শংকা জেগে ওঠে তাদের। নাসির হোসেনও যখন শন টেইটের বলে ড্রেসিংরুমে সেসময়েও ফিল্ডিং করা চিটাগাং কিংসের জন্য জয়টি নাগালের মধ্যে ছিল। কিন্তু এক ওভারেই ঘুরে যায় ম্যাচ।
সঙ্গত কারণেই ৪০ বলে ৪৮ রান করা রংপুরের ইমরুল কায়েস এখন স্বপ্ন দেখছেন শেষ চারে খেলার। ১০ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট। কায়েস বলেন, ‘আমরা আশা ছাড়িনি। বাকি দুই ম্যাচ যদি আমরা জিততে পারি তবে এখনো সেমিফাইনালে যেতে পারবো’। রংপুরকে সেমিতে যেতে হলে অন্যদেরও হারতে হবে।
চিটাগাংয়ের তোলা ১৬০ রানের ইনিংসে অবদান ছিল হল্যান্ডের রায়ান টেন দাসকেটের। ৩২ বলে ৫০ রান করেন তিনি। এছাড়া আরিফুল হকের ২০ বলে ৩৩ রান করেন। কিন্তু দুটোই বিফলে যায় এই হারের পরও চিটাগাং আছে তিন নম্বরে। তাদের অর্জন ১০ পযেন্ট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
চিটাগাং কিংস- ২০ ওভারে ১৬০/৬ (দাসকে ৫০, আরিফুল অপ: ৩৩, নাঈম ২৯, মিলার ১৯, নাসির ২/২৫, রাজ্জাক ২/৩৫)।
রংপুর রাইডার্স- ২০ ওভারে ১৬১/৫ (ইমরুল কায়েস ৪৮, বর্গাস ৪৮, হায়াত অপ: ২০, শামছুর ১৭, টেইট ২/২৫, কুপার ২/২৭)।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ডেনজা হায়াত।
ফল: রংপুর রাইডার্স জয়ী ৫ উইকেটে।
