বটিয়াঘাটার খাদ্য গুদামের বারান্দায় নষ্ট হচ্ছে ৮১ টন গম

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৪১
উপজেলা খাদ্য গুদামে ধারণ ক্ষমতার অধিক খাদ্য মজুদ থাকায় গুদামের বারান্দায় খোলা জায়গায় দুস্থ মহিলাদের জন্য রাখা ৮১ টন গম নষ্ট হতে চলেছে। বর্ষা মৌসুমেও একইভাবে রাখা খাদ্যের অধিকাংশ ভিজে নষ্ট হলেও পরে সে চাল দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়। গত ১৯৬০ সালে বটিয়াঘাটা সদরে মাত্র ৫শ টনের একটি খাদ্য গুদাম তৈরি করে খাদ্য মজুদের কাজ শুরু হয়। তারপর থেকে গুদামে খাদ্য রাখার কাজ চলে আসছে। কোন প্রকার সংস্কার ছাড়াই চলছে খাদ্য সংরক্ষণ ও বিতরণ। ৫শ টনের গুদাম ঘরটিতে রাখা হয়েছে সাড়ে ৮শ টন খাদ্য। পরিমাণের অতিরিক্ত খাদ্য গুদামে মজুদ রাখায় প্রয়োজনীয় বাতাস সরবরাহের অভাবে খাদ্যের মান অনেকাংশে নষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া আসন্ন ধান-চাল ক্রয় মৌসুুমে সংগৃহীত খাদ্য রাখার অন্য কোন উপায় নেই। কাবিখা-কাবিটাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে যে পরিমাণ খাদ্য গুদাম থেকে বাইরে যায় তারচেয়ে বেশি খাদ্য প্রবেশ করায় গুদামের ধারণ ক্ষমতা হারিয়েছে। গুদাম সীমানার মধ্যে নতুন ভবন তৈরির জন্য প্রচুর জায়গা থাকা সত্ত্বেও কোন ঘর তৈরি না হওয়ায় ধীরে ধীরে ৫২ বছর আগে নির্মিত ভবনটি ধসে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা সুজিত কুমার মজুমদার ইত্তেফাককে জানান, খাদ্য গুদামে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত খাদ্য মজুদ থাকায় গুদামের বাইরে বারান্দায় ৮১ টন খাদ্য রাখা হয়েছে। বর্ষার সময় একইভাবে খাদ্য রাখায় বৃষ্টির ছিটায় বেশ কিছুটা ক্ষতি হয়। দ্রুত খাদ্য গুদাম তৈরি প্রয়োজন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তি মনি চাকমা জানান, নতুন গুদাম তৈরির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করে গেছেন। তবে গুদামের বাইরে রক্ষিত খাদ্য যাতে নষ্ট না হয় তার ব্যবস্থা নিতে বলে দেব। ভিজিডির গম দেয়া শুরু হলে গুদামের বাইরে আর কোন খাদ্য থাকবে না।