আড়াইহাজারে দালালদের অত্যাচারে জমির প্রকৃত মালিকরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এ সকল দালাল জমির বিভিন্ন জাল পর্চা তৈরি করে প্রভাবশালীদের নিকট বিক্রি করে দেয়। এতে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ জমির মালিকরা। জানা গেছে, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন এবং ২টি পৌর সভায় ৩১৫টি গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি গ্রামে রয়েছে অসংখ্য দালাল।
জানা গেছে, শিল্পায়নের হাওয়া লাগায় প্রান্তিক উপজেলা আড়াইহাজারের জমি প্রভাবশালীদের নজর পড়ে। কৃষি জমি কম দামে হাতিয়ে নেয়ার জন্য প্রভাবশালীরা প্রতিটি এলাকায় দালাল সৃষ্টি করেছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের ফলে প্রভাবশালীরা বেপোরোয়া হয়ে পড়েছে। টাকার লোভে স্কুল শিক্ষক থেকে শুরু করে ইউপি সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, গ্রাম্য মাতুব্বর, মুদী দোকানদার, চা বিক্রেতা, চাকরিজীবী সবাই নেমেছে দালালীতে।
এদের সাথে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কতিপয় দলিল লেখক, ভূমি অফিসের পিয়ন, গোমস্তা চক্রতো রয়েছেই। বিশাল দালাল চক্র গোটা উপজেলাজুড়ে সৃষ্টি করেছে নৈরাজ্য ও অশান্তিকর পরিস্থিতি। থানা পুলিশ জমিজমা সংক্রান্ত মামলা, অভিযোগ, জিডি ও সংঘর্ষের ঘটনাগুলো নিয়ে পড়েছে চরম বিপাকে। কোন মামলারই শেষ পর্যন্ত সুরাহা হয় না। বছরের পর বছর বাদী-বিবাদীদের কোর্ট-কাচারীতে দৌড়ঝাপ করতে হয়। এদিকে দালালচক্রের অপতত্পরতায় দিন দিন কমছে ফসলি জমি।
