কুমিল্লার ৯টি উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা যুবদলের সম্মেলনের প্রায় আড়াই বছর অতিক্রান্ত হলেও আজো পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়নি। কুমিল্লা টাউনহল মিলনায়তনে ২০১০ সালের ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ঐ সম্মেলনে ঘোষিত ৩ নেতা দিয়ে চলছে বৃহত্তর এ সাংগঠনিক জেলা যুবদলের কার্যক্রম। এদিকে, এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মাঝে বাড়ছে চরম ক্ষোভ-অসন্তোষ।
২০১০ সালে যুবদলের ঐ সম্মেলনে আমীরুজ্জামান আমীরকে সভাপতি, আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমকে সাধারণ সম্পাদক ও মাঈনুদ্দীন আহমেদকে সাংগঠনিক সম্পাদক পদ দিয়ে ৩ জনের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এদিকে, পদবি পাওয়া ঐ ৩ জন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিন গ্রুপের হওয়ায় কমিটিতে তাদেরকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ তোলেন মনিরুল হক সাক্কু সমর্থিত অপর গ্রুপের পদপ্রত্যাশীরা। এমন পরিস্থিতিতে ৩টি পদ ঘোষণা দিয়ে কুমিল্লা ত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। এরপর থেকে সম্মেলন বা পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি এবং ঐ ৩ নেতা দিয়ে চলছে জেলা যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরে দুই গ্রুপে বিভক্ত রয়েছে। এখানকার রাজনীতির এক মেরুতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিন-উর-রশিদ ইয়াছিন এবং অপর মেরুতে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। এ কারণে রাজনৈতিকভাবে দলীয় পরিচয় দিতে অনেক নেতা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন।
