টাঙ্গাইলে তুলাচাষিরা সর্বস্বান্ত

উত্পাদন ও দাম দুটোই কম

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১২
উত্পাদন এবং দাম দুটোই কম হওয়ায় টাঙ্গাইলে তুলাচাষিরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে। অনেকেই মনের ক্ষোভে ক্ষেতের পাকা তুলা সংগ্রহ থেকে বিরত রয়েছে। জানা যায়, কটন ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের আওতায় এবার টাঙ্গাইলের গোপালপুর, ধনবাড়ি, মধুপুর, ঘাটাইল, সখিপুর ও দেলদুয়ার উপজেলায় চার হাজার একরে তুলার আবাদ হয়। মধুপুর উপজেলার টেলকির তুলাচাষি আব্দুল হালিম জানান, ১০ একরে আবাদ করা হাইব্রিড তুলার সময়মত পরিচর্যা সত্ত্বেও উত্পাদন নজীরবিহীনভাবে কমে গেছে। একরপ্রতি ৩০ মণের স্থলে উত্পাদন হয় ১২ থেকে ১৫ মণ। অপরদিকে কটন ডেভেলপমেন্ট বোর্ড তুলার ক্রয়মূল্য কমিয়ে দিয়েছে। গতবার প্রতিমণ তুলার দাম ছিল ২ হাজার ৮শ টাকা। এবার নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৩শ টাকা। মধুপুর উপজেলার গারো বাজারের তুলাচাষি আব্দুস সামাদ জানান, ইউরিয়াসহ সবধরনের রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও হরমোন বেশি দামে কিনতে হয়। দফায় দফায় ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে যান্ত্রিক সেচ ও হালচাষে দ্বিগুণ খরচ বহন করতে হয়। কামলার মজুরিও বেশি। এজন্য তুলাচাষে একরপ্রতি খরচ পড়ে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা। বর্তমানে তুলা বিক্রি করে পাওয়া যাচ্ছে ২৮ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। তুলা উন্নয়ন বোর্ড ময়মনসিংহ জোনের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজার দরের সাথে সঙ্গতি রেখে দেশি তুলার দাম নির্ধারণ করা হয়। এবার আন্তর্জাতিক বাজারে তুলার দাম কমে যাওয়ায় দেশি তুলার দাম কমাতে হয়েছে।