তাড়াশে তথ্য সেবা কেন্দ্র চলছে ভাড়া করা দোকানে

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:১৫
আধুনিক ইউনিয়ন ভবন থাকলেও তাড়াশের সগুনা ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রটি চলছে পাশের মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর হাটেল ভাড়া করা একটি দোকানে। তাও গত ২ বছর ধরে। এতে করে সগুনা ইউনিয়নের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ সেবা পেতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এলাকাবাসির অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদের বাড়ি ওই বাজারের কাছাকাছি হওয়ায় তিনি সেখানে ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করেছেন। সেখান থেকেই চলছে পরিষদের অন্যান্য কার্যক্রম। ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ দাবি করেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা আর বিশাল জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করেই নাদোসৈয়দপুর হাটে তথ্যসেবা কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন। তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরিফ রায়হান কবির জানান,- সগুনা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি চলনবিলের মাঝে অবস্থিত। বর্ষায় ৬মাস পানিবন্দি থাকে ভবনটি। তখন সেখানে কোন কর্মকাণ্ড চলে না। যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করেই তথ্য কেন্দ্রটি চেয়ার্যমানের নির্বাচিত জায়গায় পরিচালিত হচ্ছে। তবে ওই ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় আরেকটি তথ্য সেবা কেন্দ্র চালু করার জন্য জেলা প্রশাসককে জানানো হয়েছে। এলাকাবাসির দাবি, তথ্যকেন্দ্রটি নাদোসৈয়দপুর হাটে না বসিয়ে ইউনিয়নের চর-বিলের মাঝখানে ধামাইচ বাজারে বসালে সকলেই লাভবান হবে। থাকবে না কোন দুর্ভোগ। কারণ ধামাইচ বাজার থেকে কুন্দইলের দূরত্ব মাত্র ৩কি.মি। লালুয়ামাঝিড়া গ্রামের কৃষক জহুরুল শেখ অভিযোগ করেন, তথ্য কেন্দ্রটি তার গ্রাম থেকে প্রায় ১২ কি.মি. দূরে। এ কারণে উপজেলা সদরে গিয়ে তিনি সুবিধা গ্রহণ করেন। তবে জন্মসনদসহ প্রয়োজনীয় কাজের জন্য তথ্য কেন্দ্রে গেলে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয়।