বিদ্যুত্ সংযোগ ব্যবস্থার অভাবে রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলে ৭টি সেচ স্কিম বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে পানি সেচে প্রতিবন্ধকতায় বিলের ২ হাজার একর জমিতে চলতি মওসুমের বোরো চাষাবাদ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। কর্ণফুলী সেচ প্রকল্পের আওতাধীন এসব সেচ স্কিমে বিদ্যুত্ সংযোগ প্রদানে রাঙ্গুনিয়া পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি কর্তৃপক্ষের গড়িমসির অভিযোগ করেন স্কিম ম্যানেজারগণ। কৃষকের অভিযোগ পাওয়া যায়, জমিতে বোরো রোপা দেয়ার উপযুক্ত সময় শেষ হতে চললেও গুমাই বিলের মরিয়মনগর, চন্দ্রঘোনা, রাঙ্গুনিয়া পৌর এলাকা এবং বহ্মউত্তর মৌজার ৭টি সেচ স্কিমের পানি সেচ কার্যে এখনও পাওয়ার পাম্প চালু হয়নি। ফলে স্কিমগুলোতে কৃষকরা যথাসময় চাষাবাদ শুরু করতে পারেনি। কৃষকরা জানান, ফাল্গুন মাসের শুরুতেই স্বভাবত বোরো চাষের জন্য বিলে পানি সেচ শুরু করা হয়ে থাকে। যথাসময় চাষাবাদ শুরু করে এ মাসের মধ্যেই রোপা দেয়ার উপযুক্ত সময়। কিন্তু রোপা দেয়ার শেষ সময় অতিক্রান্ত হতে চললেও স্কিমগুলোতে সেচ কাজে স্থাপিত পাওয়ার পাম্পগুলো এখনও চালু করা হয়নি। বর্তমানে অনাবাদি হয়ে পড়ে আছে স্কিমের অধীনে সকল জমি। বিলের স্কিম ম্যানেজার মোহাম্মদ আব্দুল নবি জানান, পূর্ববর্তী মওসুমের আগে চুরি যাওয়া বিদ্যুত্ ট্রান্সফর্মারের শতভাগ ক্ষতিপূরণের টাকা কৃষকের নিকট হতে আদায়ের অজুহাতে রাঙ্গুনিয়া পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি কর্তৃপক্ষ সেচ স্কিমে বিদ্যুত্ সংযোগ দিতে গড়িমসি করছেন। পল্লী বিদ্যুত্ অফিসের ডিজিএম হুমায়ুন কবির বলেন, ক্ষতিপূরণের টাকা বকেয়া রেখে সেচ স্কিমে বিদ্যুত্ সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়।
