রাফায়েল নাদাল ব্রাজিল ওপেনের ফাইনালে উঠে প্রতিপক্ষ হিসাবে পেলেন আর্জেন্টিনার ডেভিড নালব্যান্ডিয়ানকে। শিরোপা লড়াইয়ে যোগ দেয়ার পথে এই স্পেনিয়ার্ড হারান নালবান্দিয়ানের স্বদেশী মার্টিন অ্যালান্ডকে। সাও পাওলোতে গত শনিবার টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে নাদাল ৬-৩,৬-৭,৬-১ সেটে হারান অ্যালান্ডকে। গতকাল রাতেই অনুষ্ঠিত হওয়া টুর্নামেন্টের ফাইনালে তার প্রতিপক্ষ ছিলেন আর্জেন্টিনার ডেভিড নালবান্দিয়ান।
হাটুতে গুরুতর ইনজুরি অপারেশনের কারণে সাত মাস কোর্টের বাইরে থাকার পরে গত সপ্তাহেই কোর্টে ফেরেন নাদাল। চিলিতে অনুষ্ঠিত ওই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে হেরে যান তিনি। তবে নাদাল যে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন তার প্রমাণ সাও পাওলোর এই প্রতিযোগিতা। টুর্নামেন্টে সেরা ফর্মের নাদালকে এখনো দেখা না গেলেও প্রতি ম্যাচেই একটু একটু করে যেন নিজেকে ফিরে পাচ্ছেন পুরুষ এককের সাবেক এক নম্বর খেলোয়াড়টি।
শেষ চারের লড়াইয়ে গত শনিবার তার প্রতিপক্ষ ছিলেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে তার চেয়ে অনেক পেছনে থাকা অ্যালান্ড। বছর খানেক আগেও হয়তো দুজনের দেখা হলে ম্যাচের আগেই বলে দেয়া যেত ম্যাচের ফলাফল। কিন্তু ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার পরে নাদাল নিজেই বলছেন নিজের সেরা ফর্ম থেকে এখনো বহু দূরে আছেন তিনি। তাই অঘটনের একটা আশঙ্কা ছিল নিশ্চিতভাবেই। কিন্তু প্রথম সেটটি ৬-৩ গেমে জিতে নাদাল জানান দেন তাকে হারানোটা মোটেও সহজ হবে না ।
এর পরে দ্বিতীয় সেটে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন অ্যালান্ড। তবে পরের সেটে আর কুলিয়ে উঠতে পারেননি নাদালের পাওয়ার টেনিসের সাথে। তাই ৬-১ গেমে সেটটি হেরে ফাইনালের আগেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় এই তরুণকে।
এদিকে বর্ষীয়ান নালবান্দিয়ান সেমিফাইনালে ইতালির সাইমন বোলেলিকে ৬-৩,৭-৫ গেমে পরাজিত করেন। আসন্ন প্রতিপক্ষের ব্যাপারে নাদাল মনে করছেন কঠিন এক ম্যাচই অপেক্ষা করছে তার জন্য। এমনকি আর্জেন্টাইন প্রতিপক্ষকে ফেভারিট মানতেও আপত্তি নেই তার। এখনো সেরা ফর্মের চেয়ে অনেক পেছনে আছেন দাবি করে তিনি বলেন,‘সাত মাস কোর্টের বাহিরে থাকার পর, হাটুর ইনজুরি পুরোপুরি সারেনি এমন অবস্থায়ও যদি আমি টানা দুটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলতে পারি তাহলে আমি মনে করি সেটা দারুণ ইতিবাচক একটা ব্যাপার।’
ফাইনালের ব্যাপারে রসিকতার ছলে তিনি বলেন,‘(ফাইনালের জন্য) শারীরিকভাবে আমি প্রস্তুত। আমি জানি না আমার হাটু এখনো প্রস্তুত কিনা।’
চিলিতে গত সপ্তাহের ফাইনালে তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে যান আর্জেন্টিনার হোরাসিও জেবালোসের কাছে।
