ফেনী সরকারি জিয়া মহিলা কলেজে দিনব্যাপী শীতের পিঠা উত্সবে শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি পিঠার পসরা সাজিয়ে উত্সবকে মাতিয়েছে। সমপ্রতি কলেজ মাঠে এই উত্সব অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ প্রফেসর ডিএ বিলকিস আরা চৌধুরীর সভাপতিত্বে পিঠা উত্সবে ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক আজিজ আহম্মদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শফিউল আরিফ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ খালেদ রহীম, ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর উত্পল কান্তি বৈদ্য, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বিকম, ফেনী পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট অধ্যক্ষ মোঃ মঞ্জুরুল আলম, ফেনী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মীর হোসেন মীরু, ফেনী সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ মহী উদ্দিন চৌধুরী, স্টার লাইন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজী আলাউদ্দিনসহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন।
পিঠা উত্সবে কত রঙের হিডারে, নানীর হাতের পিঠা, আপ্যায়ন, অন্যরকম পিঠা উত্সব, সায়েন্টিফিক পিঠা, প্রজাপতির ডানা, রূপসী বাংলা, শীতের পিঠাপুলি, চল যাই পিঠা খাই, পিঠা মেলা, আবার খাবো শীতের পিঠা, হৌষ হাবনের হিঠা ঘর, চল যাই পিঠা ঘরে পিঠা খাই, শতরঙ্গি পিঠা উত্সব, জাস্ট চয়েজ পিঠাপুলি স্টল, ময়না পাখির ঝাঁক, থ্রি এস স্পেশাল নাজির রোড, পিঠা উত্সব বোন-বোন পিঠা ঘরসহ বাহারী নামে ২৩টি স্টলে সরকারী জিয়া মহিলা কলেজ ছাড়াও ফেনী সরকারী কলেজ, সিটি কলেজ ও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের তৈরি নানা রকমের বাহারী পিঠার পসরা সাজিয়ে স্টলে বসেছিল কলেজের শিক্ষার্থীরা। উত্সবের পাশাপাশি কলেজের মাঠে শহীদ মিনারের বেদিতে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় গান, আবৃত্তি, নৃত্য ও নাটিকা প্রদর্শিত হয়।
মেলায় আগত অতিথি ও শিক্ষার্থীরা নানা রং-বেরংয়ের পিঠা মজা করে কিনে খেয়েছেন এবং অনেকেই পুঁটলী বেঁধে বাসাবাড়িতে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। উত্সবে আগত গৃহবধূ হালিমা আক্তার, বেবী আক্তার, শিক্ষার্থী তানিয়া, সেলিনা বলেন, মা এবং দাদী-নানীর মুখে অনেক পিঠার নাম শুনেছি। কিন্তু পিঠা উত্সবে তারচেয়েও অনেক বেশি পিঠা দেখলাম।
পিঠা বিক্রয় করতে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন, বাসায় মা, নানুসহ পিঠা তৈরিতে অনেকেই সহযোগিতা করেছে। সব পিঠা বিক্রি হয়ে গেছে। এত পিঠা বিক্রি হবে ভাবিনি। ফেনী সরকারী জিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডিএ বিলকিস আরা চৌধুরী জানান, এই পিঠা উত্সবে কলেজের ছাত্রীরা প্রায় ৫০ রকমের পিঠা তৈরি করে স্টলে সাজান।
পিঠা উত্সবকে প্রাণবন্ত করার জন্য ছাত্রীরা নিজস্ব উদ্যোগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আগত অতিথিদের পিঠা উত্সবে এসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা যায়।
